কলম চলুক
এম হাসান মাহামুদ
কলম চলুক- সত্য ন্যায়ের পথে-
কলম- চলুক- অসহায় নির্যাতিতদের পক্ষে।
কলম চলুক- গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের জন্য,
কলম চলুক - খুন,ধর্ষণ জুলুম কারিদের বিরুদ্ধে।
কলম চলুক- সঠিক পথের সন্ধান দিতে,
কলম চলুক - পরস্পর- পরস্পরের ভালো বাসার।
কলম চলুক- হিংসা, বিদ্বেষ ভুলাবার!
কলম চলুক-শান্তি প্রতিষ্ঠার মহাসংগ্রামে।
কলম চলুক - আগ্নে অস্ত্রের বিকল্প বাহন হয়ে,
কলম চলুক-বাংলার প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্যপটে।
কলম চলুক - সারা বিশ্বের আলোর,দিশারী হয়ে,
কলম চলুক-মুক্তিযোদ্বা ও স্বাধীনতার পক্ষে।
কলম চলুক- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছাতে।
রমজান
ফারুক আহম্মদ
পবিত্র মাহে রমজান
সৃষ্টি কর্তার অবদান
আল্লাহ দিলেন রমজান
আমরা অসীম ভাগ্যবান।
দয়ালু দাতা মেহেরবান
সব কিছু তার অবদান।
পৃথিবীর যত নিয়ামত
সারা দুনিয়ার রহমত।
ইসলাম মানে শান্তি সুখ,
মনে প্রাণ সুখে হাসি মুখ।
সংষম পালনে রোজাদার
হয়ে ওঠে পরহেজগার।
অর্জন করলে তাকওয়া
সেই পাবে ইমানের ছোয়া।
সবল ইমান নিয়ে বুকে
কেউ মরবেনা ধুঁকে ধুঁকে।
পৃথিবীতে থাকা যায় সুখে
হাসি ফুটুক সকল মুখে।
সৃষ্টি কর্তার মহান দান
পবিত্র এ মাহে রমজান।
গরীবের ঈদ
রাশেদ হোসেন
আজ ঈদ
ঈদগাহ্ যাবো,
মাথা নিচু করে।
শূন্য পকেটে,
ছেড়া জামা পরণে।
ঈদগাহ মাঠে,
শত লোক ঘোরে।
নূতন জামা পরণে,
কত্ত কিছু খাচ্ছে।
দেখছি চেয়ে,
আনন্দ করছে।
ওরা সকলে মিলে,
আমি গরীব ছেলে।
একা একলা নিরবে,
নেয়না কেউ সঙ্গে!
আছি পথের ধারে,
আমি গরীব ছেলে।
চোখের জল ফেলে,
এক টুকরা পাপর।
কেউ দেয়না এনে,
এসো বন্ধু সঙ্গে।
ছেড়া জামা গায়,
দেখে ভাবে সকলে।
আমি যে টোকাই
কালো ঝড়ে
শাহীন মাহবুব
কালো ঝড়ে উড়ে এসো রাঙা আলোর বিলাসী সূর্য দিন।
আন্তর্জাতিক আনন্দের নয়া নিকেতন।
আধুনিক আঁধারের আধধুমধুমি লোমহর্ষক কাহিনী রোধি।
হোক রক্ত রঞ্জিত ইতিহাসের পতন।
নারী শিশু বৃদ্ধ বৃদ্ধার হাহাকার।
নিদারুণ সংকটজনক পরিস্থিতিতে বেদনার নীল ঝড় ভেদ করে বেরিয়ে এসো সুস্থ সুন্দর আকর্ষণীয় আলোর সঙ্গীতে ভরপুর সময়ের স্বপ্ন পুর।
আরব্য রজনীর মতো এক একটা অলৌকিক ঘটনার ঘনঘটায় থেমে যাক
ইতিহাসের সবচেয়ে নিম্নমানের নিরাপদ।
শান্তির স্নিগ্ধ সোনাসানু ছুঁয়ে
আবার উঠুক নতুন প্রজন্মের নতুন পৃথিবীর সোনালী সূর্য।
ভালোবাসার ভালোলাগার ব্লাক বিল ব্লাড বিল পেরিয়ে
সুস্থ সুন্দর সতেজ পদ্ম দিঘী।
পূর্ব পুরবী সুরের সুরভী সূর্য ওঠার গল্প।
একটি শোক সংবাদ
আসাদুজ্জামান
যে বেলকুচি ঘাসটি
খরার জীবন নিয়ে বেঁচে ছিল।
একটু আগে তার মৃত্যু হল...!
যে রোদকন্যা
শিশির জলে স্নান কর তো-
শরীরে শরীর মিশে
শুষে নিয়ে কামুক ঠোঁটের আয়ুষ্কাল।
আজ দিন শেষে সে পা বাড়ালো
শেষ বিকেলের হাতটি ধরে
নটরাণীর মত...
ততক্ষণে, ঘাসটির বুক জুড়ে
আগুনের আবাসস্থল!
শুধু জ্বলছে সমস্ত শরীরি সংলাপ।
আর পুড়ছে অকবিতা পাঠ শেষে
যেমন পুড়ে যায় কবি,
রঙিন প্রচ্ছদে মোড়ানো গ্রন্থের
অন্তঃসার শুণ্যতায়...!
কমা,দাড়িহীন বারতা
আনন্দ মোহন বিশ্বস
সেদিন হঠাৎ আত্মকে ডেকে বল্লাম
নিজেকে সামলাও
পারিবারিক বন্ধন ছিন্ন করো
মায়া মহব্বত ত্যাগ করো
পরনির্ভরতা পরিহার করো
তল্পিতল্পা গোটাও
বেশী জনসমাগম এড়াও
নিজের ঢোল পেটানো বাদ দাও
অহেতুক অযাচিত জ্ঞান দেওয়া বাদ দাও
নিজের পথ নিজে বেছে নাও
পরপারের যাত্রী হিসাবে নিজেকে প্রস্তুত করো