Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

বাংলাদেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আশঙ্কা সিএনএন এর প্রতিবেদনে

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ,২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
আপডেট : শুক্রবার, ২০ মার্চ,২০২৬, ০১:৩০ এ এম
বাংলাদেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আশঙ্কা সিএনএন এর প্রতিবেদনে

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায়৬২ হাজার টন এলএনজি নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার জন্য ‘লিব্রেথা’ নামের এ ট্যাংকার আটকে আছে পারস্য উপসাগরেই ছবি: সংগৃহীত


 জ্বালানি খাতের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘কেপলার’-এর মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৭০ শতাংশ পায় কাতার থেকে। কিন্তু কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হওয়ায় শিগগিরই পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং ভারত বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।কাতারের প্রায় সব প্রাকৃতিক গ্যাস রাস লাফানে প্রক্রিয়াজাত ও সেখান থেকে রপ্তানি করা হয়।

কেপলার জানিয়েছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়েরই নিজস্ব এলএনজি মজুত সীমিত, যা দিয়ে মাত্র এক বা দুই সপ্তাহ চলতে পারে। ফলে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার এ ধাক্কায় দেশ দুটি বিশেষভাবে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এতে দেশগুলোতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় এ সংঘাত শুধু জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিই বন্ধ করে দেয়নি, বরং বিশ্বের সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলএনজি স্থাপনাটিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে দেশগুলোর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির এক বড় অংশই আসে কাতার থেকে। অন্যদিকে বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল’-এর তথ্য অনুযায়ী, ভারত তাদের এলএনজি চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি কাতার থেকে সংগ্রহ করে।

সিএনএনের প্রতিবেদনে আরো স্থান পায়, রাস লাফান স্থাপনার পরিচালক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি চলতি মাসের শুরুর দিকে এলএনজি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন স্থগিত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে কোম্পানিটির অনেক বেশি সময় লেগে যেতে পারে।

সিএনএনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারতের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

তবে শুধু এই দু‘টি দেশ নয়। পূর্ব এশিয়ায় তাইওয়ানও বেশ ঝুঁকির মুখে রয়েছে। কারণ, দেশটি তাদের এলএনজি চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ কাতার থেকে আমদানি করে এবং তাদের হাতে মাত্র ১১ দিনের মজুত রয়েছে।

তবে তাইপে গত সপ্তাহে জানিয়েছে, তারা মার্চ ও এপ্রিল মাসের জন্য পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করেছে এবং মে মাসের জোগাড় ঠিক করতে কাজ করছে।

কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, কাতার চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানেও বিপুল পরিমাণ এলএনজি সরবরাহ করে। তবে মজুত বেশি থাকায় এসব দেশ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে চীনের আমদানির উৎস বৈচিত্র্যময় হওয়ায় দেশটি এ পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে পারবে।

 

ধ্রুব ‍নিউজ/ এম

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)