Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

মোদি সরকারের পতন ছাড়া গণতন্ত্রের মেরামত সম্ভব নয়: রাহুল গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ১০ অক্টোবর,২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর,২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
মোদি সরকারের পতন ছাড়া গণতন্ত্রের মেরামত সম্ভব নয়: রাহুল গান্ধী

লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেসের শীর্ষনেতা রাহুল গান্ধী ছবি: দ্য ইকোনোমিস্ট

ভারতে মোদি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নেমেছে বিরোধী 'ইন্ডিয়া' জোট। চলমান এই রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই মোদি সরকারের পতন দাবি করে তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেসের শীর্ষনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর মতে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের বিদায় ছাড়া দেশে সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্র ফেরানো সম্ভব নয়।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) ‘ইন্ডিয়া’ জোটের আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী স্পষ্টভাবে জানান, বর্তমান সংকটটি কেবল কোনো একজন ব্যক্তির নয়, বরং ব্যবস্থার। তিনি বলেন, “প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং এই সরকার—উভয়কেই বিদায় নিতে হবে। তবেই দেশে গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণ ও মেরামতের কাজ শুরু হবে।”

এর আগে শুক্রবার সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে আয়োজিত এক সভায় রাহুল গান্ধী বলেন, রাজনৈতিক এই সংকটের মূল কারণ লুকিয়ে রয়েছে বর্তমান সরকারের টিকে থাকার মধ্যে। বিরোধীরা যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের ওপর চাপ তৈরি করেছে, তা যদি অব্যাহত রাখা যায়, তবে এই সরকারের পতন সময়ের ব্যাপার মাত্র। নিজের বক্তব্যের জোর দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা যদি গত কয়েক দিনের মতো সম্মিলিত চাপ বজায় রাখতে পারি, তবে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি এই সরকার পড়ে যাবে। বিরোধীদের এই ধারাবাহিক প্রতিবাদ সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছে এবং তারা এখন রীতিমতো আতঙ্কিত।” এটি দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার এমন এক লড়াই, যার জন্য জীবন পর্যন্ত বাজি রাখা যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সম্প্রতি ভারতের নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে একটি রাজনৈতিক ঝড় ওঠে, যার মূলে রয়েছে ভোটার তালিকার এসআইআর (SIR) কার্যক্রম। প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে, এই কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও আদেশের বিষয়ে গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশি।

প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাঁড়াশি আক্রমণ শুরু করে বিরোধী দলগুলো। তবে নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগের জবাব দিয়ে জানিয়েছে, যেকোনো সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় ভিন্নমত ও ভিন্ন পর্যবেক্ষণ থাকা স্বাভাবিক আলোচনারই অংশ। কমিশনের সব সিদ্ধান্ত পূর্ণ আইনি বৈধতা মেনে এবং নির্ধারিত সংবিধিবদ্ধ পথ অনুসরণ করেই নেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিরোধী বিক্ষোভ দমন করতে রাজধানী দিল্লিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুরো শহর জুড়ে জারি করা হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। পরিস্থিতি সামাল দিতে একাদিক ট্রেন চলাচল স্থগিত, ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বল (সিআরপিএফ) মোতায়েন করা হয়েছে।

সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছেন কংগ্রেসের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক কে সি ভেনুগোপাল। তিনি মোদি-শাহ প্রশাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, “সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। দিল্লির গণগ্রেপ্তার এবং লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে একজন একনায়ক তাঁর বিরুদ্ধে চলা সম্পূর্ণ অহিংস ও সত্যাগ্রহ আন্দোলনকে নির্মমভাবে দমন করার চেষ্টা করছেন।”

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)