Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

কোটচাঁদপুরে আড়াই কোটির সড়ক সংস্কার: নিম্নমানের অভিযোগে ফের বন্ধ কাজ

রফিক মন্ডল, কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি রফিক মন্ডল, কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : বুধবার, ৭ অক্টোবর,২০২৬, ০৭:০৩ এ এম
আপডেট : বুধবার, ৭ অক্টোবর,২০২৬, ১০:০৬ এ এম
কোটচাঁদপুরে আড়াই কোটির সড়ক সংস্কার: নিম্নমানের অভিযোগে ফের বন্ধ কাজ

এলজিইডির প্রকৌশলী সরেজমিনে কাজ পরিদর্শন করেন। ছবি: ধ্রুব নিউজ

সরকারি নির্দেশ বা কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি—কোনো কিছুকেই যেন তোয়াক্কা করছেন না ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর-সাফদারপুর সড়ক নির্মাণের ঠিকাদার। আড়াই কোটি টাকার এই প্রকল্পে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের দায়ে কাজ বন্ধের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়ার পরও গোপনে কাজ চালু করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিষয়টি নজরে আসার পর এলজিইডির প্রকৌশলী সরেজমিনে গিয়ে পুনরায় কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, কোটচাঁদপুর-সাফদারপুর সড়কের প্রায় ২ হাজার ৬২০ মিটার অংশ সংস্কার ও কার্পেটিংয়ের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। তবে বাস্তবায়নের শুরু থেকেই নির্মাণসামগ্রীর অতি নিম্নমান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সড়কের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ৩ নম্বর মানের ইট এবং ইটভাটার পরিত্যক্ত ‘ভাটা কুড়ানো ডাস্ট’। এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। পরে এলজিইডির প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঝিনাইদহ এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদ নিশ্চিত করেন, সড়কের প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মিটার অংশে অতি নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই খোয়া সম্পূর্ণ অপসারণ না করা পর্যন্ত সেখানে সব ধরনের কাজ স্থগিত রাখার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু এলজিইডির সেই নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অগোচরেই আবারও সড়কের কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার বিষয়টি স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল থেকে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে বিষয়টি জানালে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পুনঃসূচিত নির্মাণকাজ আবারও বন্ধ করে দেন।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জানান, বারবার কাজ বন্ধের নির্দেশ সত্ত্বেও কীভাবে একই ধরনের নিকৃষ্টমানের সামগ্রী ব্যবহারের ধৃষ্টতা দেখানো হয়, তা বোধগম্য নয়। এতে পুরো প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও মান মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে। সরকারি বিপুল অর্থ ব্যয় করে নির্মিত সড়ক যদি কিছুদিন পরেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে, তবে তার দায়ভার কে বহন করবে—এমন প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মো. শহিদুল ইসলাম ও তার ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। নির্দেশ অমান্য করে নতুন করে কাজ শুরুর বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

সম্পর্কিত

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)