❒ চৌগাছার আতিয়ার হত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: ধ্রুব নিউজ
যশোরের চৌগাছার বেড়গোবিন্দপুর বাওড়ের নৈশ প্রহরী আতিয়ার রহমান হত্যাকাণ্ডের জট খুলতে শুরু করেছে। এই নৃশংস খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাওড়ের অপর পাহারাদার আব্দুল আলিমকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার ফতেপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক আব্দুল আলিম ফতেপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। সহকর্মীকে হত্যার মূল পরিকল্পনা ও ঘাতকদের সহযোগিতার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর ডিবি পুলিশ এই অভিযান চালায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই শেখ হাদীউজ্জামান জানান, নৈশ প্রহরী আতিয়ার রহমান হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত কবির হোসেনকে ইতোপূর্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে কবির হোসেন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। সেই জবানবন্দিতে সে স্পষ্ট জানায়, আতিয়ার রহমান হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী এবং মাঠপর্যায়ে ঘাতকদের সহযোগিতাকারী ছিলেন বাওড়েরই আরেক পাহারাদার আব্দুল আলিম। এই তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। আজ মঙ্গলবার আটক আব্দুল আলিমকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুন দুপুরে বেড়গোবিন্দপুর বাওড়ের ডাইনের বিল ক্যানেল থেকে উপজেলার লস্কারপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বাওড় পাহারাদার আতিয়ার রহমানের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের ভাই রাশেদ আলী বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে চৌগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ক্লুলেস এই মামলাটি প্রথমে চৌগাছা থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরবর্তীতে এর রহস্য উদঘাটনে ডিবি পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।