Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

মণিরামপুরের আরিফ হত্যা মামলায় সৎ পিতাসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : শনিবার, ১ আগস্ট,২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম
মণিরামপুরের আরিফ হত্যা মামলায় সৎ পিতাসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট

মণিরামপুর উপজেলার বালিধা গ্রামের নিহত যুবক আরিফ হোসেন হত্যা মামলায় সৎ পিতাসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপপরিদর্শক (এসআই) তারামিয়া।

অভিযুক্ত আসামিরা হলেন—মণিরামপুর উপজেলার বালিধা গ্রামের জালাল উদ্দিন গাজীর ছেলে ও নিহতের সৎ পিতা সোহেল মাহমুদ, খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাগড়া গ্রামের আরশাদ সরদারের ছেলে ও বালিধা গ্রামের বর্তমান বাসিন্দা অভিযুক্ত আসামি ফুয়াদ হাসান সৌরভ এবং একই গ্রামের খাঁজা ফকিরের ছেলে অভিযুক্ত আসামি মামুন হোসেন।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, নিহত যুবক আরিফ হোসেনের গরু ব্যবসায়ী পিতা আতিয়ার রহমান এবং তার কাতার প্রবাসী মা আলাদা হয়ে যান। ব্যবসায়ী পিতা আতিয়ার রহমান তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর ছেলে নিহত আরিফ হোসেন ও মেয়ে বাদী জুনিয়া আক্তার তাদের পিতা আতিয়ার রহমানের বাড়িতেই থাকত। চলতি বছরের ১ মার্চ রাতে ছেলে নিহত আরিফ হোসেন ও তার পিতা আতিয়ার রহমান একসাথে খাওয়া-দাওয়া করেন। এরপর ছেলে নিহত আরিফ হোসেন স্কুল মাঠে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। ভোরে সেহরি খাওয়ার সময় ছেলে নিহত আরিফ হোসেনকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করে তার পরিবার। সন্ধান না পেয়ে সকালে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে বালিধা গ্রামের বৈরাগী মোড়ের উত্তর বিলে ঘের মালিক আনোয়ারের মাছের ঘেড়ে গিয়ে নিহত আরিফ হোসেনের মৃতদেহ ভাসতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী জুনিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মণিরামপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্তকালে যশোর ডিবি পুলিশ হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত আসামি সোহেল মাহমুদ ও অভিযুক্ত আসামি ফুয়াদ হাসান সৌরভকে আটক করে। পরে অপর অভিযুক্ত আসামি মামুন হোসেনকে আটক করা হয়।

মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, পিতা আতিয়ার রহমান তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর অভিযুক্ত আসামি সোহেল মাহমুদ তাকে বিয়ে করেন। কাতার প্রবাসী স্ত্রী তাকে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেন এবং প্রতি মাসে টাকা পাঠাতেন। পরবর্তীতে হঠাৎ অভিযুক্ত আসামি সোহেল মাহমুদকে তার কাতার প্রবাসী স্ত্রী তালাক দেন। এ ঘটনার পেছনে নিহত যুবক আরিফ হোসেনকে সন্দেহ করেন অভিযুক্ত আসামি সোহেল মাহমুদ এবং তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার রাতে নিহত যুবক আরিফ হোসেনকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করার পর লাশ ঘের মালিক আনোয়ারের মাছের ঘেড়ে ফেলে দেন তারা।

এ মামলার দীর্ঘ তদন্তকালে আসামিদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় ওই তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপপরিদর্শক (এসআই) তারামিয়া।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)