নিজস্ব প্রতিবেদক
পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে ৮ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে লুৎফর রহমানের ছেলে বাবলুর রহমানের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। শার্শা উপজেলার রামপুর গ্রামের সবেদ ইসলামের ছেলে আশিক ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
অভিযুক্ত বাবলুর রহমানের বাড়ি চৌগাছা উপজেলার বর্ণি গ্রামে। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণীতে জানা গেছে, আত্মীয় আহসান হাবিব মুকুলের মাধ্যমে বাবলুর রহমানের সাথে পরিচয় হয় আশিক ইসলামের। পরিচয়ের সূত্র ধরে বাবলুর রহমান তাকে পুলিশের এসআই পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ জন্য মোট ৯ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং চার মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তার প্রতি বিশ্বাস করে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাবলুর রহমানের ইসলামী ব্যাংকের হিসাবে মোট ৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়। পরে নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা বলে আরও ৪ লাখ টাকা দাবি করা হলে ২০২১ সালের ৬ মে ইসলামী ব্যাংক বেনাপোল শাখায় আসামির অ্যাকাউন্টে দুই দফায় আরও ৪ লাখ টাকা জমা দেওয়া হয়।
টাকা নেওয়ার পরও বাবলুর রহমান চাকরির নিয়োগপত্র দেননি। পরবর্তীতে যোগাযোগ করা হলে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একাধিকবার আপস-মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে বিষয়টি যশোরের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়।
গত ১১ জুলাই বিকেলে বাবলুর রহমান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, তিনি কোনো টাকা ফেরত দেবেন না এবং চাকরিও দিতে পারবেন না। টাকা ফেরত চাইলে উল্টো প্রাণনাশ ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির হুমকি দেন। কোনো উপায় না পেয়ে ভুক্তভোগী আশিক ইসলাম আদালতে মামলা দায়ের করেন।