Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২-২ গোলের ড্র জাপানের

ক্রীড়া ডেস্ক ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ : সোমবার, ১৫ জুন,২০২৬, ০৯:১৯ এ এম
আপডেট : সোমবার, ১৫ জুন,২০২৬, ০৯:৩০ এ এম
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২-২ গোলের ড্র জাপানের

ম্যাচের ৬৪ মিনিটে ক্রাইসেনসিও সামারভিল গোল করে স্কোরলাইন ২-১ করেন ছবি: রয়টার্স

ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬-এর গ্রুপ 'এফ'-এর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল নেদারল্যান্ডস এবং জাপান। মাঠের লড়াইয়ে দুই দলের কেউই কাউকে এক চুল ছাড় দেয়নি। আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণে ঠাসা পুরো ৯০ মিনিটের রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে।

​ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই সতর্ক অবস্থানে থেকে খেলতে থাকে, যার ফলে কোনো গোল ছাড়াই বিরতিতে যায় তারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই খোলস ছেড়ে বের হয় নেদারল্যান্ডস। ম্যাচের ৫১ মিনিটে ডাচ ডিফেন্ডার ভার্জিল ভ্যান ডাইক দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন।

​নেদারল্যান্ডসের লিড অবশ্য বেশি সময় স্থায়ী হতে দেয়নি জাপান। মাত্র ৬ মিনিট পরেই, অর্থাৎ ৫৭ মিনিটে কেইতো নাকামুরা গোল করে জাপানকে ১-১ সমতায় ফেরান। তবে ডাচরা আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় যখন ৬৪ মিনিটে ক্রাইসেনসিও সামারভিল চমৎকার এক ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ২-১ করেন।

​শেষ মুহূর্তের ড্রামা

​ম্যাচ যখন ডাচদের জয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ম্যাচের ৮৯ মিনিটে জাপানের ডি. কামাদা গোল করে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের স্তব্ধ করে দেন। তার এই নাটকীয় গোলে ২-২ সমতায় ফেরে জাপান। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।

​পরিসংখ্যানে ম্যাচের চিত্র

​ম্যাচের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে চোখ রাখলে দেখা যায়, বল পজিশন এবং আক্রমণের দিক থেকে নেদারল্যান্ডস বেশ এগিয়ে ছিল। পুরো ম্যাচে ডাচদের বল পজিশন ছিল ৬০ শতাংশ, যেখানে জাপানের দখলে ছিল ৪০ শতাংশ বল। নেদারল্যান্ডস প্রতিপক্ষের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে মোট ১১টি শটস নেয়, যার মধ্যে ৭টি শটসই ছিল অন টার্গেট। অন্যদিকে জাপান তুলনামূলক কম সুযোগ পেলেও বেশ কার্যকরী ছিল; তাদের নেওয়া মোট ৮টি শটসের মধ্যে ৩টি ছিল অন টার্গেট, যার ২টিই তারা গোলে রূপান্তর করতে পেরেছে।

​মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণেও এগিয়ে ছিল ডাচরা। তারা পুরো ম্যাচে ৮৯ শতাংশ পাস অ্যাকুরেসি বজায় রেখে মোট ৫১৬টি পাস সম্পন্ন করে। বিপরীতে ৮৮ শতাংশ পাস অ্যাকুরেসিতে জাপানের পাস সংখ্যা ছিল ৩৪২টি। ম্যাচে দুই দলই সমান আগ্রাসী মনোভাব দেখিয়েছে এবং উভয় দলই ৭টি করে ফাউল করেছে। তবে ফাউলের বিপরীতে ডাচদের ৩টি ইয়েলো কার্ড দেখতে হলেও জাপানের কোনো খেলোয়াড়কেই কার্ড দেখতে হয়নি। এছাড়া ম্যাচে নেদারল্যান্ডস ১টি অফসাইডের ফাঁদে পড়ে এবং তারা ৫টি কর্নার আদায় করে নেয়, যেখানে জাপানের কর্নার সংখ্যা ছিল ৪টি।

​এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ টেবিলের ২য় অবস্থানে রইল জাপান এবং ৩য় অবস্থানে অবস্থান করছে নেদারল্যান্ডস। নকআউট পর্বে যাওয়ার লড়াইয়ে দুই দলের জন্যই সামনের ম্যাচগুলো এখন বেশ সমীকরণনির্ভর হয়ে উঠল।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)