Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৪ মে ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

বেনাপোল স্থলবন্দরে ‘অ্যাক্সেস’ প্রকল্পের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বেনাপোল প্রতিনিধি বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশ : সোমবার, ৪ মে,২০২৬, ১২:৩৭ এ এম
বেনাপোল স্থলবন্দরে ‘অ্যাক্সেস’ প্রকল্পের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে অ্যাক্সেস প্রকল্পের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ছবি: ধ্রুব নিউজ



যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে ‘অ্যাক্সিলারেটিং ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্রেড কানেক্টিভিটি ইন ইস্টার্ন সাউথ এশিয়া (অ্যাক্সেস)’ প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রকল্পের অগ্রগতি, ভূমি অধিগ্রহণ, শ্রমিক সুবিধা এবং সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে নানা বিষয় উঠে আসে।

রোববার বিকেলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বন্দর কার্যালয়ে এ সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। সভাপতিত্ব করেন বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মোহাম্মদ শামীম হোসেন।

সভায় বক্তারা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবহন ও বাণিজ্য সংযোগ জোরদারে ‘অ্যাক্সেস’ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং অংশীজনদের স্বার্থ নিশ্চিত করা জরুরি।

মতবিনিময় সভায় জমির মালিক মো. মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম ভূমি অধিগ্রহণে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে বলেন, একই এলাকায় জমির মৌজা মূল্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। কোথাও ৭৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও কাছাকাছি অন্য স্থানে তা ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত ধরা হয়েছে। এতে অনেক মালিক ন্যায্য ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি এ বিষয়ে তদন্তের দাবি জানান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা ও স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। ক্ষতিপূরণের অতিরিক্ত ৩ শতাংশ প্রাপ্তিতেও জটিলতা তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ক্ষেপণ হওয়ায় অনেকেই বিকল্পভাবে অন্যত্র ব্যবসা বা বসতি গড়ে তুলেছেন, যা পুরো প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সভাপতির বক্তব্যে বন্দর পরিচালক মোহাম্মদ শামীম হোসেন বলেন, বন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিকদের জন্য খাবার ও বিশ্রামের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় একটি ক্যান্টিনসহ অন্তত একতলা ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দেন তিনি।

প্রধান অতিথি মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জমির মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত নীতিমালার মেয়াদ এক বছর থেকে বাড়িয়ে তিন বছর করা হয়েছে। তিনি জানান, রাস্তার পাশের জমি ও ভেতরের জমির মূল্যে পার্থক্য থাকলেও নীতিমালায় তা সমন্বয়ের চেষ্টা করা হয়েছে।

সভায় বন্দর ও কাস্টমস কর্মকর্তারা, ভূমি প্রশাসনের প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন অংশীজন অংশ নেন।

ধ্রুব/টিএম

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)