Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৪ মে ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

পণ্য চালান খালাস প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বেনাপোল বন্দরে সাংবাদিক সম্মেলন

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : সোমবার, ৪ মে,২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম
পণ্য চালান খালাস প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বেনাপোল বন্দরে সাংবাদিক সম্মেলন

পণ্য চালান খালাস প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বেনাপোল বন্দরে সাংবাদিক সম্মেলন. ছবি: ধ্রুব নিউজ

পণ্যের চালান বন্দরে প্রবেশ থেকে খালাস পর্যন্ত সার্বিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ও এ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে।

সোমবার (৪ মে) সকাল ১১টায় আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনের দ্বিতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বন্দরের আমদানি পণ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ধাপ তুলে ধরা হয়। পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে কর্মকর্তারা পুরো প্রক্রিয়াটি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, পণ্য আমদানির প্রথম ধাপ হলো এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলা। আমদানিকারক ব্যাংকের মাধ্যমে প্রোফরমা ইনভয়েস জমা দিয়ে এলসি খুলে থাকেন, যেখানে পণ্যের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ থাকে। এরপর ইমপোর্ট জেনারেল মেনিফেস্ট (আইজিএম) প্রক্রিয়ায় রপ্তানিকারক পণ্য প্রেরণের তথ্য বাংলাদেশে পাঠান। সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্ট এসব নথি কাস্টমস কার্গো শাখায় জমা দিয়ে অনলাইনে এন্ট্রি সম্পন্ন করেন। কাস্টমসের অনুমোদন মিললে পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করে।

বন্দরে প্রবেশের পর বিজিবি, কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে এন্ট্রি সম্পন্ন করে। পরে ট্রাকগুলো ওজন স্কেলে মাপা হয় এবং কার্গো ভেহিক্যাল টার্মিনালে রাখা হয়। পোস্টিং শাখা থেকে নির্ধারণ করা হয় কোন পণ্য কোন শেড বা ইয়ার্ডে খালাস হবে।

পোস্টিং পাওয়ার পর ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য আনলোড করা হয়। যদিও নিয়ম অনুযায়ী এ সময় কাস্টমস প্রতিনিধির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে তা অনুপস্থিত থাকে বলে সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পণ্য পরীক্ষণ ও শুল্কায়ন সম্পন্ন করে। পরীক্ষণের ভিত্তিতেই পণ্যের এসেসমেন্ট নির্ধারণ হয়। শুল্ক পরিশোধের পর কাস্টমস রিলিজ অর্ডার ইস্যু করলে বন্দর মাশুল পরিশোধ সাপেক্ষে পণ্য খালাস করা যায়।

খালাসের সময় বন্দর কর্তৃপক্ষ গেইটপাস প্রদান করে এবং পণ্য বাংলাদেশি ট্রাকে লোড করা হয়। এরপর এক্সিট নোট শাখায় তথ্য এন্ট্রি শেষে ট্রাক নির্ধারিত গেইট দিয়ে বন্দর ত্যাগ করে।

সাংবাদিক সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত পাঁচ বছরে কাস্টমস রাজস্ব আহরণে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় ছিল ৪ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেড়ে ৭ হাজার ২৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে।

 

বন্দর কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবার পরিষ্কার ধারণা থাকলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল হবে এবং রাজস্ব আদায়ও বাড়বে।

এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা বন্দর আধুনিকায়ন নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) ও উপসচিব মোহাম্মদ শামীম হোসেন, বন্দরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেনাপোলের প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা।

ধ্রুব/এস.আই

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)