নিজস্ব প্রতিবেদক
সেনাবাহিনীতে কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সুজন হোসেন নামে এক কথিত সৈনিকের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার যশোর সদরের জগন্নাথপুর গ্রামের দিলীপ দাসের স্ত্রী সবিতা দাস বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।
অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত সুজন হোসেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার খোদ্দ বনগ্রামের ওয়াজেদ শেখের ছেলে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১১ মে ফরিদপুর থেকে ট্রেনযোগে যশোর ফেরার পথে আসামি সুজনের সঙ্গে সবিতা দাসের পরিচয় হয়। সুজন নিজেকে ‘সেনা সদস্য’ পরিচয় দিয়ে সবিতাকে জানান যে, তিনি সেনাবাহিনীতে কম্পিউটার অপারেটর পদে লোক নিয়োগ দিতে পারেন। সবিতা তার ছেলেকে ওই পদে চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে অনুরোধ করলে সুজন ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।
পরবর্তীতে সুজন সবিতা দাসের সঙ্গে সিঙ্গিয়া রেলস্টেশনে নেমে সরাসরি তাদের বাড়িতে যান। সেখানে পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করে নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যান। এরপর ওই বছরের ১৪ মে থেকে ১৯ মে’র মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বিকাশের মাধ্যমে আরও ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন সুজন।
টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ছেলেকে চাকরি দিতে ব্যর্থ হন সুজন। একপর্যায়ে পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন। পাওনা টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ন্যায়বিচারের আশায় ভুক্তভোগী সবিতা দাস আদালতের দ্বারস্থ হন।