Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

তেল শূন্য মোটরসাইকেল পাম্পে ফেলে বাড়ি ফিরলেন চালক

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : বুধবার, ১ এপ্রিল,২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
তেল শূন্য মোটরসাইকেল পাম্পে ফেলে বাড়ি ফিরলেন চালক

ছবি: অভয়নগর থেকে তোলা

মঙ্গলবার সন্ধ্যা। যশোর শহরের যাত্রিক পাম্পে মোটরসাইকেল নিয়ে হাজির হন সাজ্জাদ (ছদ্মনাম)। পাম্পে পৌঁছেই জানতে পারেন পেট্রোল ফুরিয়ে গেছে। নিজের বাইকেও তেলের কাঁটা শূন্যের ঘরে। ৫ কিলোমিটার দূরের পথ বাইক ঠেলে নিয়ে যাওয়ার ধকল সইতে না পেরে নিরুপায় হয়ে পাম্পেই মোটরসাইকেলটি রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পাম্প কর্তৃপক্ষ প্রথমে আপত্তি জানালেও এক প্রকার জোর করেই নিজের বাহনটি সেখানে রেখে বাড়ি ফেরেন সাজ্জাদ। আজ বুধবার সকালে পুনরায় পাম্পে গিয়ে ২৩ জনের পেছনে লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পর মিলেছে মাত্র ২০০ টাকার তেল।

সাজ্জাদের এই অভিজ্ঞতাই এখন যশোরের সাধারণ মোটরসাইকেল চালকদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিচ্ছবি। সরকারিভাবে দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদের আশ্বাস দেওয়া হলেও যশোরের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। জেলার প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য চলছে হাহাকার ও চরম ভোগান্তি।

কিলোমিটার ছাড়ানো সারি, বিফলে যাচ্ছে অপেক্ষা শহরের যাত্রিক, চয়নিকা, মনিরুদ্দিন, উপশহর, করিম এবং প্রান্তিক বা তোফাজ্জেল সব কটি পাম্পেই সরেজমিনে দেখা গেছে গ্রাহকদের মাইলের পর মাইল দীর্ঘ সারি। লাইনের শেষ প্রান্ত থেকে নজেল পয়েন্টে পৌঁছাতে পৌঁছাতেই অনেক সময় তেল ফুরিয়ে যাচ্ছে। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরবরাহ কম থাকায় তারা জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ৩০০ টাকার তেল সরবরাহ করছেন।

প্রভাবশালীদের দাপট ও অব্যবস্থাপনা উপজেলা পর্যায়ের পরিস্থিতি আরও নাজুক।

বেনাপোল প্রতিনিধি জানান, বাগআঁচড়া এলাকার জোহরা ফিলিং স্টেশনে প্রখর রোদের মাঝে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকছেন শত শত মানুষ। ভুক্তভোগী সায়েম, ইব্রাহিম ও রশিদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও প্রভাবশালীরা নিয়ম ভেঙে আগে তেল নিয়ে যাচ্ছেন। এতে বিশৃঙ্খলা ও চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।

অভয়নগর প্রতিনিধি জানান, নোয়াপাড়া পীরবাড়ি এলাকার পাম্পগুলোতেও সকাল থেকে তেলের জন্য হুড়োহুড়ি লেগে যাচ্ছে। অফিসগামী ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষগুলো সময়ের অভাবে বিপাকে পড়ছেন।

ভুক্তভোগী চালক কলম ও জয় গোপাল জানান, এর আগে নড়াইল ও কেশবপুরে তেল নিয়ে মারামারি ও দুর্ঘটনার মতো ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতির অবনতি রোধে এখনই জেলা প্রশাসনের কঠোর তদারকি ও নিয়মিত অভিযানের দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যথায় এই সীমিত সরবরাহ ও অব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করছেন সাধারণ গ্রাহকরা।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)