Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

বাঘারপাড়ার রাকিবকে লিবিয়ায় পাচারের মামলায় ইটালি প্রবাসী আলমগীসহ ১০ জানকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : শনিবার, ২৯ আগস্ট,২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম
বাঘারপাড়ার রাকিবকে লিবিয়ায় পাচারের মামলায় ইটালি প্রবাসী আলমগীসহ ১০ জানকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

ছবি: ধ্রুব নিউজ

বাঘারপাড়ার চন্ডিপুর গ্রামের সাজেদুল ইসলাম রাকিবকে লিবিয়ায় পাচারের মামলায় আটক ইতালি প্রবাসী আলমগীর হোসেনসহ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে পুলিশ। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় মারুক হোসেন নামে একজনের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে চার্জশিটে। মামলা তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী কামাল হোসেন।
অভিযুক্ত আসামিরা হল,
বাঘারপাড়া চন্ডিপুর গ্রামের ইটালি প্রবাসী আলমগীর হোসেন ও তার স্ত্রী পারুল খাতুন , মৃত মোছাহাক বিশ্বাসের ছেলে লিটন হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার মান্দারপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মৃত আব্দুল ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান ওরফে সেলিম প্রকাশ ওরফে ইংলিশ সেলিম, চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি থানার নাজিরহাট পৌরসভার পশ্চিম সুয়াবিল এলাকার আলমের ছেলে আজিজ উদ্দিন, কুমিল্লা লামাই থানার কেদারদুয়ার গ্রামের হাজী ছায়েদুর রহমানের ছেলে মনির আহম্মেদ, নাঙ্গলকোট থানার যুগিপুকুরিয়া গ্রামের কামালের ছেলে মওর ফারুক, ধানোড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহলে ওরফে ভাগ্নে সোহেল ও একই গ্রামের সোহেল রানা ওরফে মফিয়া সোহেল।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ইটালি প্রবাসী আসামি আলমগীর হোসেন দূর সম্পর্কের আত্মীয় রাকিবদের। রাকিবকে বৈধ ভিসায় ইতালি পাঠিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে আলমগীর ও তার সহযোগীরা ২০ লাখ টাকা নেয়। পরে ২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি আসামিরা রাকিবকে বাড়ি থেকে নিয়ে ইতালি না পাঠিয়ে লিবিয়ায় পাচার করে একটি চক্রের কাছে আটক রাখে। লিবিয়ায় আটক অবস্থায় রাকিবকে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং আরও ২৫ লাখ টাকা দাবি করে হুমকি দেওয়া হয়। নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে টাকা না দিলে হত্যা করা হবে বলেও তারা জানায়। রাকিবকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ২০২৪ সালের ৪ জুন রাকিবের মা সেলিনা বেগম বাদী হয়ে ইতালি প্রবাসী আলমগীর হোসেন সহ ৬ জনকে আসামি করে যশোর মানব পাচার দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালতের আদেশে ১০ জুন অভিযোগটি বাঘারপাড়া থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু হয়। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে সিআইডি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়।
এ মামলার তদন্তকালে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ওই ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর হোসেন, পারুল, সেলিমুজ্জামান, ওমর ফারুক ও ভাগ্নে হোসেলকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)