Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ ফেনীর নুসরাত হত্যা

২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, চারজনের যাবজ্জীবন, ১০ জন খালাস

❒ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিলেন হাইকোর্ট

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : সোমবার, ২৪ আগস্ট,২০২৬, ০১:০৯ পিএম
আপডেট : সোমবার, ২৪ আগস্ট,২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, চারজনের যাবজ্জীবন, ১০ জন খালাস

ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদরাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় মূল আসামি সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া চারজনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০জনকে মৃত্যুদণ্ড থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

তাছাড়া ওই মামলায় ফেনী জজ কোর্টের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ যথাযথভাবে বিচারিক মানসিকতা প্রয়োগ করেননি- পর্যবেক্ষণে এমন অভিমত দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফৌজদারি মামলার বিচারকাজ থেকে তাকে সরিয়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের নিষ্পত্তি করে সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা আসামিরা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম (২০)।

আদালতে আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, ব্যারিস্টার মাসুদ হোসেন দোলন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।

এর আগে, গত ২০ আগস্ট নুসরাত হত্যা মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন), আপিল ও জেল আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষ পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) থেকে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এ শুনানি শুরু করে। 

এর আগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও বিবিধ বিষয়াদি হাইকোর্টে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনতে গত ১০ জুন হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট ওই বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি। গঠিত দ্বৈত বেঞ্চটি গত ১৪ জুন থেকে কার্যক্রম শুরু করে।

২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এই মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন। রায়ে ১৬ আসামির প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। মামলাটিতে মাত্র ৬১ কার্যদিবসে ৮৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক সম্পন্ন করা হয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত হয় একই বছরের ২৭ মার্চ। সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে নুসরাতের মা শিরীন আখতার মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর অধ্যক্ষের অনুগত কয়েকজন ক্যাডার তাকে কারাগার থেকে মুক্ত করার চেষ্টা চালায়। ৩ এপ্রিল কারাগারে সিরাজের সঙ্গে পরামর্শ করার পর ৪ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে নুসরাতকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৬ এপ্রিল নুসরাত আলিম পরীক্ষা দিতে মাদ্রাসায় গেলে তাকে কৌশলে সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নুসরাতকে প্রথমে সোনাগাজী ও ফেনীতে এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)