ক্রীড়া ডেস্ক
হাফ-সেঞ্চুরি করে গুজরাট টাইটান্সের সাই সুদর্শন ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
রাবাদার বোলিং তোপ আর সাই সুদৰ্শনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে গুজরাট টাইটান্স। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের পাঁচ নম্বরে উঠে এলো শুভমন গিলের দল, আর চেন্নাই নেমে গেছে ষষ্ঠ স্থানে।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। কিন্তু পিচ বুঝতে ভুল করায় শুরুতেই মহাবিপদে পড়ে চেন্নাই। গুজরাটের পেসার কাগিসো রাবাদার গতির সামনে খেই হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা। মাত্র ২৮ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে তারা। পাওয়ার প্লে-তে রাবাদার ৩ উইকেট শিকার চেন্নাইয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়। ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ হিসেবে নামা সরফরাজ খানও রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন।
একপ্রান্ত আগলে রেখে অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড় ৭৪ রানের ইনিংস খেললেও তা টি-টোয়েন্টি সুলভ ছিল না। পুরো ইনিংসে তিনি ৩০টি ডট বল খেলেন, যা আইপিএলে এক ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। দলের রান যখন ৫০ ছোঁয়, তখন পার হয়ে গেছে ১১.৬ ওভার—যা চেন্নাইয়ের ইতিহাসে দ্বিতীয় মন্থরতম ফিফটি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৮ রান তোলে চেন্নাই।
১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে গুজরাটকে মোটেও বেগ পেতে হয়নি। গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সাই সুদৰ্শন এদিনও ছিলেন অনবদ্য। মাত্র ৪৬ বলে ৮৭ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলেন তিনি, যাতে ছিল সাতটি ছক্কার মার। জশ বাটলারের ৩৯ রানের ইনিংসে ভর করে অনায়াসেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় গুজরাট।
চেন্নাইয়ের ঘরের মাঠ চিপকে উপস্থিত ৩১ হাজার দর্শক গায়কোয়াড়ের মন্থর ব্যাটিং দেখে হতাশ হয়ে পড়েন। মহেন্দ্র সিং ধোনি মাঠে না থাকলেও স্পিকারে তার রেকর্ড করা আওয়াজ ভক্তদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সুদৰ্শনের ব্যাটের তান্ডবে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই অনেক দর্শক গ্যালারি ছাড়তে শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত রাজকীয় জয়ে মাঠ ছাড়ে গুজরাট টাইটান্স।