বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় মনে পড়ে
শেষ বিকেল, সন্ধ্যা এসেছে ঘনিয়ে
আকাশ কালো মেঘে ঢেকে।
তুমুল বাতাস অঝোরে বৃষ্টি, শুধু তুমিহীন আমি বড্ড একা।
মনে পড়ে বীণা ,একদিন আষাঢ়ে সন্ধ্যায় তোমার এলোচুল ভিজেছিল বৃষ্টিতে?
আমি তোমার চুল থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় পড়া বৃষ্টি ধরেছিলাম।
কখনো হাত বাড়িয়ে খানিকটা বৃষ্টি
ছুঁড়েছিলাম তোমার মুখে।
তোমার লাজুক চোখ, প্রেমের বৃষ্টি
বাইরের বৃষ্টির সাথে মিলে হয়েছিল একাকার।
আমার হৃদয় মন সব ভিজেছিল যেন অবিরাম বৃষ্টিতে।
সেই বৃষ্টি আমাকে শেষ ভিজিয়েছিল,
এরপর আর কখনো বৃষ্টি মাখা হয়নি আমার।
আজ সময়ের ব্যবধানে
তুমি নিজের আসন গড়েছো পাহাড়ের দেশে।
এখন তুমি পাহাড়ী ঝর্ণার স্পর্শ নাও।
আজ যখন বাইরে বেসামাল বৃষ্টি, দৃষ্টির সীমানায় তুমি নাই,
জানালার পাশে বসে তোমায় খুব মনে পড়ছে।
জানালার ঐ বোবা কাঁচটার ওপাশে কত বৃষ্টি,…
আমি নির্বাসনে যাব
আমি এক অমিমাংসিত কবিতা,
সময়ের স্রোতে বাকরূদ্ধ আমি।
তোমাদের এই আদিখ্যেতা সমাজ হতে
আমি নির্বাসনে যাব।
আমাকে ক্ষত বিক্ষত করে যুগের উত্তাপ।
আমার দম বন্ধ হয়ে আসে ,দূষিত এ শহরে।
তোমাদের কলম আমাকে দিতে পারে না প্রাণ,
আমাকে বন্দী করো মেকি ভালোবাসা আর নষ্ট বিলাসিতায়।
আমি তোমাদের অনুভূতিকে বদলাতে পারিনা,
সমাজের আঁস্তাকুড়ে আমাকে পৌঁছে,
তুমি মানবিক হতে পারো না।
আমি তোমাদের আসরে আলোচিত হতে চেয়েছিলাম,
চেয়েছিলাম হাজার হৃদয় আলতো ছুঁয়ে দিতে,
পারিনি, আমার খুব কষ্ট হয়।
তোমাদের কলমের বেপরোয়া আঁচড়ে পথভ্রষ্ট হয়েছে আমার অস্তিত্ব।
আমাকে মিছে আশ্বাসে বেঁধে রেখো না,মুক্তি দাও ,আমি নির্বাসনে যাব।
ভালোবাসাহীন শব্দের গাঁথা মালায়
আমাকে কলঙ্কিত করো না।
মেঘ মুক্ত নির্মল বাতাসে আমি মানুষের কথা বলতে চাই।