Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

বাগেরহাটে ব্যাংকের লকার থেকে  ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার ‘হাওয়া’

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ,২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ,২০২৬, ১১:১২ পিএম
বাগেরহাটে ব্যাংকের লকার থেকে  ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার ‘হাওয়া’

লকার থেকে স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকারে রাখা প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন এক গ্রাহক। এ ঘটনায় গতকাল বুধবার বাগেরহাট সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সুমন কুমার দাস নামের ওই গ্রাহক। এ পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের খানজাহান আলী সড়কে থাকা পূবালী ব্যাংকের ওই শাখায় গিয়ে দেখা যায়, সিআইডি, জেলা পুলিশ ও পিবিআই কর্মকর্তারা উপস্থিত। বিকেল পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন।

গ্রাহকের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর পূবালী ব্যাংক, বাগেরহাট শাখার লকারে পরিবারসহ আত্মীয়স্বজনের আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার রাখা হয়। পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকায় বুধবার ব্যাংকে গিয়ে লকারে মজুত রাখা স্বর্ণ নিতে গিয়ে দেখেন, স্বর্ণালংকার নেই। এই বিষয় তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানালে তারা বিষয়টি তদন্ত শুরু করে।

সুমন বলেন, ‘আত্মীয়স্বজনসহ আমাদের সবার স্বর্ণালংকার ছিল। খুবই সংকটে পড়ে গেলাম আমরা।’ কীভাবে স্বর্ণালংকার খোয়া গেল, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য দাবি জানান তিনি।

এদিকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে জানান ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মনিরুল আমিন। তিনি বলেন, ব্যাংকে এই ঘটনা এবারই প্রথম। আর লকারে তিনি কোনো ঘোষণা দিয়ে স্বর্ণালংকার রাখেননি। লকারে গ্রাহকের যে অংশ, সেই অংশের চাবি গ্রাহকের কাছেই থাকে। ওই অংশের চাবি ব্যাংকের কাছে থাকে না। পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তেই বেরিয়ে আসবে আসল সত্য।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শামীম হোসেন বলেন, ব্যাংকের লকার থেকে থেকে স্বর্ণালংকার খোয়া গেছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তের পরে কে দায়ী, সে বিষয়ে স্পষ্ট হবে।

এদিকে এই ঘটনার দুই দিন আগে একই ভবনের থাকা নগদ ডিস্ট্রিবিউশন হাউস থেকে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন সেখানকার হিসাবরক্ষক মো. মনিরুজ্জামান। এ ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় বুধবার মামলা হয়েছে। এ বিষয় তদন্ত ও অভিযুক্ত মনিরুজ্জামানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)