নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: ধ্রুব নিউজ
যশোরের চৌগাছা উপজেলার চৌগাছা ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামের আতিয়ার রহমান হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন আসামিকে পুলিশ রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার। একই সাথে মামলাটি অনতিবিলম্বে ডিবি অথবা পিবিআই এর নিকট হস্তান্তরের দাবি জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন, ২০২৬) এক লিখিত বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন নিহতের ভাই ও মামলার বাদী মো. রাশেদ আলী।
লিখিত বক্তব্যে জানা যায়, গত ২০ জুন ২০২৬ তারিখ রাতে আতিয়ার রহমান বেড় গোবিন্দপুর বাওড়ের পাহারাদার হিসেবে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরদিন থানায় অভিযোগ জানালে পুলিশ আতিয়ারের মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ওসমান (পিতা: হাফিজুর) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে। পরবর্তীতে ওসমানের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে বেড় গোবিন্দপুর বাওড়ের ডাইনের বিল ক্যানেলের কচুরিপানার নিচ থেকে আতিয়ারের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়।
বাদী রাশেদ আলীর অভিযোগ, ওসমানের স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরবর্তীতে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সুজা (পিতা: আসাদুল ইসলাম) এবং কবির (পিতা: মৃত ইন্না) নামের আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করে। কিন্তু অত্যন্ত রহস্যজনকভাবে মূল সন্দেহভাজন ওসমানকে পুলিশের হেফাজত থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এমনকি মামলা দায়েরের সময় পুলিশ ওসমানকে বাদ দিয়ে শুধু সুজা ও কবিরের নাম অন্তর্ভুক্ত করে।
পরবর্তীতে নিহতের ভাই বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে চৌগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহারভুক্ত ৯ জন আসামির মধ্যে পুলিশ মাত্র ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। বাকি আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পরিবারটিকে প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।