Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

খামেনীর শেষ বিদায়// তেহরানে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোকযাত্রা, আজাদি স্কয়ারে কফিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : সোমবার, ৬ জুলাই,২০২৬, ০২:৪১ পিএম
আপডেট : সোমবার, ৬ জুলাই,২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
খামেনীর শেষ বিদায়// তেহরানে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোকযাত্রা, আজাদি স্কয়ারে কফিন

আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনীর শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে আজও (সোমবার) তেহরানে লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেছে।সদস্যদের মরদেহ বহনকারী গাড়িবহর ছবি: সংগৃহীত

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা (আইআরআইবি) জানিয়েছে, সোমবার ভোর থেকেই শেষ বিদায় শোভাযাত্রার নির্ধারিত সড়কগুলো মানুষের ঢলে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অংশগ্রহণকারীরা ইরানের জাতীয় পতাকা, শহীদ বিপ্লবী নেতার ছবি বহন করেন এবং উদ্দীপনাময় স্লোগান দিতে দিতে জাতীয় ঐক্য ও শহীদ ইমামের আদর্শের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।

আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনীর কফিন বহনকারী শোকযাত্রা রাজধানীর আজাদি স্কয়ারের দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লাখো মানুষের ঢলে রাস্তাঘাট পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইরানের কর্মকর্তারা এই কর্মসূচিকে দেশটির আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসমাবেশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

সকাল ৬টায় আজাদি স্ট্রিট ও ইয়াদেগারে ইমাম মহাসড়কের সংযোগস্থলে অবস্থিত মাহদিয়া ইমাম হাসান (আ.) এলাকা থেকে মূল শোকযাত্রা শুরু হয়। শোকমিছিলের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল শহীদ নেতার কফিন, যার সঙ্গে বহন করা হচ্ছে তার পরিবারের আরও কয়েকজন শহীদ সদস্যের মরদেহ। এর মধ্যে রয়েছেন তার কন্যা সাইয়্যেদাহ বুশরা হোসাইনি-খামেনেয়ী, জামাতা ড. মেসবাহ-উল-হোদা বাকিরী-কানি, পুত্রবধূ জাহরা হাদ্দাদ-আদেল এবং ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মদী গোলপায়েগানি।

আয়োজকদের ধারণা, এই ঐতিহাসিক শোকযাত্রা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। প্রধান সড়কের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব মোড় ও সংযোগপথকেও শোকযাত্রার অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
কালো পোশাকে সজ্জিত শোকাহত নারী-পুরুষের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা, শহীদ নেতার প্রতিকৃতি, কালো শোক-পতাকা এবং প্রতিশোধের প্রতীক লাল পতাকা। তারা বুক চাপড়ে মাতম করেছেন, কুরআন তিলাওয়াত করেছেন এবং শোকগাথা পাঠের মাধ্যমে প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যানার ও পোস্টারে শহীদ খামেনেয়ীর নেতৃত্ব, সংগ্রাম ও অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

শোভাযাত্রাজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়েছে প্রতিরোধ, আত্মত্যাগ এবং শহীদ নেতার আদর্শের প্রতি আনুগত্যের স্লোগান। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আগত মানুষের পাশাপাশি বিদেশি অতিথিরাও এই ঐতিহাসিক বিদায়যাত্রায় অংশ নিয়েছেন। জনগণের উদ্যোগে স্থাপিত অসংখ্য মাওকেব ও স্বেচ্ছাসেবী সেবাকেন্দ্র শোকাহতদের জন্য খাবার, পানীয় এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবার ব্যবস্থা করেছে।

এর আগে রোববার আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি শহীদ নেতা ও তার পরিবারের সদস্যদের জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। শহীদ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, তাজিকিস্তান ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল তেহরানে উপস্থিত হয়েছে।

তেহরানের এই কর্মসূচি শেষে মঙ্গলবার পবিত্র নগরী কোম-এ জানাজা ও শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার ইরাকে নাজাফ ও কারবালায় বিশেষ বিদায় ও জানাজার আয়োজন করা হয়েছে। সবশেষে, শহীদ নেতার ওসিয়ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার মাশহাদ-এ জানাজা শেষে তাকে ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হবে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)