নিজস্ব প্রতিবেদক
এনজিও থেকে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নগদ টাকা ও ব্যাংকের সই করা ব্ল্যাঙ্ক চেক আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক মাহমুদা জামান এর নামে আদালতে আরো একটি মামলা হয়েছে। আজ বুধবার যশোরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ আহমদ অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসিকে। যশোর শহরের ঘোপ জেল রোড এলাকার ভুক্তভোগী মোছা. তানজিনা রহমান এ মামলা করেছেন। এ নিয়ে তার নামে মোট মামলার সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ টি।
আসামি মাহমুদা জামান যশোর সদরের বসুন্দিয়া সাদুল্লাপুর গ্রামের ডাক্তার মনসুর আলীর মেয়ে। সম্প্রতি প্রতারক মাহমুদা জামানের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি ও আদালতে ৯ মামলা হল।
মামলার আভিযোগে জানাগেছে, আসামি মাহমুদা জামান নিজেকে ব্যাংক কর্মকর্তা, এনজিওর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তানজিনা রহমানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। তিনি তানজিনাকে একটি এনজিও থেকে ৫০ লক্ষ টাকা ঋণ করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এর বিনিময়ে খরচ বাবদ তানজিনার কাছ থেকে গত ২৮ জুন নগদ ৭ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (UCB) ৪টি সই করা ব্ল্যাঙ্ক চেক গ্রহণ করেন।
নির্ধারিত দুই মাস পার হওয়ার পরও ঋণ না দিয়ে আসামি তালবাহানা শুরু করেন। ভুক্তভোগী তার টাকা ও চেক ফেরত চাইলে আসামি তাকে উল্টো ব্ল্যাঙ্ক চেকগুলো ব্যবহার করে মামলার হুমকি দেন।
এরপর আসামি একটি চেকে মোটা অঙ্কের টাকা বসিয়ে ঢাকার আদালতে তানজিনার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা করেন।
মামলার আরজিতে আরও বলা হয়েছে, মাহমুদা জামান একজন পেশাদার প্রতারক। তার বিরুদ্ধে এর আগেও যশোর ও ঢাকার বিভিন্ন আদালতে এবং থানায় একাধিক প্রতারণা ও চেকের মামলা (এনআই অ্যাক্ট) চলমান রয়েছে।
আসামি মাহমুদা জামান এর কাছ থেকে টাকা আদায় ব্যর্থ হয়ে আদালতে এই মামলা করেছেন।
ধ্রুব/এস.আই