Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

দুদকের মামলায় কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই,২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
দুদকের মামলায় কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর কারাগারে

সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান ছবি: ধ্রুব নিউজ

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

যশোরের বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এস. এম. নূরুল ইসলাম আসামির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মোস্তাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, মোস্তাফিজুর রহমান ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ও তার স্ত্রীর নামে অর্জিত সম্পদের হিসাব পর্যালোচনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য পায় দুদক। পরবর্তীতে দুদক সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নোটিশ দিলে তিনি নিজ ও স্ত্রীর নামে মোট ৩ কোটি ৬ লাখ ৭ হাজার ৮৫১ টাকার সম্পদের তথ্য জমা দেন।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, উক্ত সম্পদ অর্জনের সময় তিনি ব্যাংক ঋণ হিসেবে ৪০ লাখ ৩৬ হাজার ১৯১ টাকা গ্রহণ করেছিলেন। ঋণের অর্থ বাদ দিলে প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৬৫ লাখ ৭১ হাজার ৬৮২ টাকা। বিপরীতে তিনি ও তাঁর স্ত্রীর নামে মোট ১ কোটি ২১ লাখ ৮৬ হাজার ২৫৬ টাকার বৈধ আয়ের তথ্য উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে পারিবারিক ব্যয় ৩৭ লাখ ৯৯ হাজার ৮২৯ টাকা বাদ দিলে নিট বৈধ আয় দাঁড়ায় ৮৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪২৭ টাকা। অর্থাৎ বৈধ আয়ের তুলনায় ১ কোটি ৮১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৮৪ টাকা মূল্যের বেশি সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মোশারফ হোসেন ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ১ কোটি ৮৩ লাখ ৫২ হাজার ৮২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদ বিবরণীতে ১৭ লাখ ৫৪০ টাকার তথ্য গোপনের সত্যতা পায় দুদক। তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক বজলুর রহমান ২০২৫ সালের ৯ নভেম্বর মোস্তাফিজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী শাহিনুর বেগমকে অভিযুক্ত করে ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চার্জশিট জমা দেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য যশোরের বিশেষ দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তরিত হয়।

আসামি মোস্তাফিজুর রহমান এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন। মঙ্গলবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের প্রার্থনা করলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)