নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: ধ্রুব নিউজ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরের চৌগাছায় আলোচনা সভা, সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চৌগাছা প্রেসক্লাব চত্বরে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য, কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা সুলতানা মুন্নী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ৪৮ বছর আগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে এবং দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করেছে। তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। সাবিরা সুলতানা মুন্নী আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইউনুচ আলী দফাদারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চৌগাছা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ আব্দুল হালিম চঞ্চল, ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদুন্নবী মুরাদ।
এছাড়া বক্তব্য দেন সাবেক কাউন্সিলর নাজমুজ্জামান খোকন, আনিছুর রহমান, চৌগাছা শ্রমিক ইউনিয়ন সমিতির সভাপতি আনিছুর রহমান, হাবিবুর রহমান খোকা, আফিল উদ্দিন দফাদার, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম ওয়াসিম, ছাত্রনেতা হাকিম রেজা প্রমুখ।
আলোচনা সভায় উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, কৃষক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে বিপুলসংখ্যক নারী কর্মীও অংশ নেন। এ সময় বিএনপি নেতা প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন সরকার শ্রাবণ, সরোয়ার, রিংকু, বাবলুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা যায়।
আলোচনা সভা শেষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি চৌগাছা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে 'মনে রেখো শপিং প্লাজা' এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। র্যালিতে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে শহরের প্রধান সড়কগুলো মুখর হয়ে ওঠে।
বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জনগণের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।