Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে এক রাতে ৫০ স্থানে ককটেল হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ২৩ আগস্ট,২০২৬, ০৯:৫১ পিএম
থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে এক রাতে ৫০ স্থানে ককটেল হামলা

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবন ছবি: সংগৃহীত

অশান্ত দক্ষিণ থাইল্যান্ডে আবারও বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এক রাতেই অঞ্চলটির ৫০টিরও বেশি স্থানে একযোগে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয় বলে রোববার থাই সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে।

​সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত ৮টা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে মালয়েশিয়া সীমান্তসংলগ্ন এলাকাগুলোতে একের পর এক হামলা চালানো হয়। সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটে নারাথিওয়াত প্রদেশে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী ইয়ালা ও পাত্তানি এলাকা থেকেও অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গেছে।

​দুর্বৃত্তরা সরকারি দপ্তর, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, এমনকি একাধিক টেলিযোগাযোগ টাওয়ারেও আগুন লাগিয়ে দেয়। নারাথিওয়াতের মুয়াং জেলায় বোমা বিস্ফোরণে দুই নারী আহত হয়েছেন। নিরাপত্তা জোরদার করতে নারাথিওয়াতে রাতভর সান্ধ্য আইন (কারফিউ) জারি রাখা হলেও রোববার সকালে তা প্রত্যাহার করা হয়। রোববার নতুন করে আর কোনো সংঘাতের খবর মেলেনি। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী স্থানীয় বাসিন্দাদের যেকোনো পরিত্যক্ত বা সন্দেহজনক বস্তু ছোঁয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

​এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ এই হামলা চালিয়েছে বলে স্বীকার করেনি। তবে এ অঞ্চলটিতে দীর্ঘ দুই দশক ধরে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে স্থানীয় মুসলিম স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীগুলো, যাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে 'বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল' (বিআরএন)। ২০০৪ সাল থেকে চলা এ রক্তাক্ত সংঘাতে এ পর্যন্ত সাত হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। ২০১৩ সালে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা শুরু হলেও রাজনৈতিক পরিবর্তন ও অভ্যন্তরীণ মতভেদের কারণে তা স্থবির হয়ে পড়ে। গত জুলাইয়ে এক তল্লাশি চৌকিতে হামলায় পাঁচ সেনা সদস্য নিহত হওয়ার পর প্রস্তাবিত শান্তি বৈঠক আবারও স্থগিত হয়ে যায়।

​সাধারণত উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সফরের আগে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে এ ধরনের হামলা চালিয়ে থাকে। আগামী সপ্তাহে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের সোংখলা প্রদেশের হাত ইয়াই শহরে দুই দিনের সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। বিনিয়োগ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সেই সফরকে কেন্দ্র করেই এই সিরিজ হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)