ধ্রুব ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। জেলার নদীগুলোতে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পানিতে এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে ফসলি জমি, পুকুর, চিংড়ির ঘের ও সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।
এদিকে, বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাব-ব্লক এ-৩ এর খদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদ্রাসা ও হেফজখানায় পাহাড়ধসের ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এতে টানা বৃষ্টিতে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে।
নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন- কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হাসিম উল্লাহর মেয়ে রাশিদা বেগম (১৩) এবং আব্দুস শুক্কুরের দুই মেয়ে উম্মে নেজাতুল (১৩) ও উম্মে সালমা (১২) এবং মোহাম্মদ ইলিয়াসের মেয়ে উমাইসা বিবি (১৩)। বাকি নিহত ৪ জনের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
কক্সবাজার ত্রাণ ও শরনার্থী কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ক্যাম্প-৫-এ সংঘটিত ভূমিধসের ঘটনায় সর্বমোট ১৩ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়। এদের মাঝে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৮ শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এদের মাঝে চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যায় এবং অন্য চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
এ নিয়ে গত ৬ দিনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর কক্সবাজার সদর ও বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড় ও দেয়াল ধস এবং পানিতে ডুবে মারা গেছেন পাঁচজন। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পাহাড় ধস আতংক সবাইকে তাড়া করছে।