Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

পদ্মা পাড়ে সন্তান খুঁজছে মাকে, স্বামী স্ত্রীকে

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ২৫ মার্চ,২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ,২০২৬, ০১:১৯ এ এম
পদ্মা পাড়ে সন্তান খুঁজছে মাকে, স্বামী স্ত্রীকে

ডুবে যাওয়া বাস উদ্ধারের প্রস্তুতি নিচ্ছে ডুবুরিরা ছবি: সংগৃহীত

ঈদের ছুটি শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন নুরুজ্জামান। বাড়ি ঝিনাইদহ শৈলকুপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের খোন্দকবাড়িয়া গ্রামে। বাড়ি থেকে কাছে হওয়ায় বুধবার দুপুরে কুমারখালী থেকে সেখান থেকেই সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসে উঠেছিলেন।

কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনালের সৌহার্দ্য পরিবহনের কাউন্টারে নুরুজ্জামানের মুঠোফোন নম্বর পাওয়া যায়। সেই নম্বরে রাত সাড়ে নয়টার দিকে যোগাযোগ করলে ফোন ধরেন নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, চার বছরের মেয়েকে নিয়ে পদ্মাপাড়ে বসে আছেন স্ত্রী-সন্তানের আশায়।

ঢাকার মিরপুরে একটি হাসপাতালে চাকরি করেন নুরুজ্জামান। ঘটনার বিষয়ে তিনি মুঠোফোনে বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটে বাসটি ফেরির অপেক্ষায় ছিল। এই ফাঁকে চার বছরের মেয়ে নূরে জান্নাতকে পদ্মা নদী দেখাতে বাস থেকে নেমে পড়েন তিনি। বাসের ভেতর সাত মাসের ছেলে নাজিফ বিন জামানকে কোলে নিয়ে বসে ছিলেন স্ত্রী আয়েশা আক্তার। কিছুক্ষণের মধ্যে বাসটি ফেরিতে উঠতে যায়। মুহূর্তে বাসটি পানিতে পড়ে যায়।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে নিমজ্জিত বাসটি যাত্রা শুরু করেছিল কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে। ঢাকার উদ্দেশে বাসটির ছাড়ার সময় মাত্র ছয়জন যাত্রী (দুটি শিশু বাদে) ছিলেন। এরপর একে একে বিভিন্ন কাউন্টার থেকে যাত্রী ওঠানো হয়। সব মিলিয়ে বাসটিতে কমপক্ষে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে কাউন্টারমাস্টার জানিয়েছেন। বাসটি নদীতে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিন বেলা ২টা ২০ মিনিটে সৌহার্দ্য পরিবহন নামের বাসটি কুষ্টিয়া কুমারখালী পৌরবাস টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। আজ বুধবার বেলা ২টা ২০ মিনিটেও কুমারখালী থেকে দুটি পরিবারের ৬টি টিকিটে দুটি শিশুসহ আটজনকে নিয়ে বাসটি ছেড়ে যায়।

কুমারখালী থেকে বাসে ওঠা যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) এবং তাদের সন্তান আবুল কাসেম সাফি (১৭), আয়েশা বিনতে গিয়াস (১৩)। গিয়াস খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কুমারখালী পৌর ভবন এলাকার মৃত বকুল বিশ্বাসের জামাতা। শ্বশুরবাড়িতে ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবার নিয়ে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ঢাকার তাকওয়া ফুড প্রোডাক্টের কারখানায় ফিরছিলেন।

গিয়াসের শ্যালক রাকিব হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তার বড় ভাই ইমরুল হোসেন দৌলতদিয়ায় গেছেন। তার দুলাভাই, বোন ও এক ভাগনে বেঁচে আছেন। তবে আয়েশা বিনতে গিয়াস এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)