ধ্রুব ডেস্ক
বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও গ্রেপ্তার হওয়া জিয়াউল আহসান ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ও উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ পিছিয়ে ২৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তারিখ পিছিয়ে নতুন তারিখের আদেশ দেয়। এদিন প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন।
প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন বলেন, আজ এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার কথা ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা আরও সময় লাগবে বলে জানান। তাই আমরা আরও ৩ মাস সময় বাড়ানোর আবেদন করছি। পরে ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করে।
এদিকেপ্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় চেষ্টায় নেতা এম ইলিয়াস আলী তুলে নিয়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর আগে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সেটি ছিল দেড় দশক আগের ঘটনা। প্রথমবার ব্যর্থ হলে ২য় চেষ্টায় সফল হন য়ার পর জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বের বাহিনী।
বিমানবাহিনীর তখনকার স্কোয়াড্রন লিডার সাইফুর রহমান র্যাবের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত ছিলেন। আর তখনকার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান ছিলেন র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক।
সাইফুর রহমান হলেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের জামাতা । সর্বশেষ বিমান সদর দপ্তরের ‘ডিরেক্টরেট অব এয়ার ট্রেনিং’-এর ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চলতি বছরের ২১ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েসের জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীর গুম ও হত্যার ঘটনায় সাইফুর রহমানের নাম আসে।
তার নাম আসার পর ২৬ জুলাই রাতে তার বাসা থেকে তাকে আটক করে বিশেষ সামরিক পুলিশ শাখা (প্রভোস্ট)। পরে তাকে বাহিনীর বিশেষ সেলে হেফাজতে রাখা হয়। পরে ২৩ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির করে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
প্রসঙ্গত, এই মামলার অপর আসামি জিয়াউল আহসানও গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
সূত্র- দৈনিক আমার দেশ
ধ্রুব/টিএম