Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

নিজের গুণগান ভরা মিউজিক ভিডিও পোস্ট করলেন ট্রাম্প

ধ্রুব  ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ৭ জুন,২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
নিজের গুণগান ভরা মিউজিক ভিডিও পোস্ট করলেন ট্রাম্প

শনিবার সকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ‘ট্রাম্প’ শিরোনামের একটি গানের এআই মিউজিক ভিডিও শেয়ার করেন। এটি তৈরি করেছেন নিউইয়র্কের কংগ্রেস প্রার্থী অ্যান্থনি কনস্ট্যান্টিনো, যাকে ট্রাম্প সম্প্রতি সমর্থন দিয়েছেন।

শনিবার ট্রুথ সোশ্যালে বিশ্বজুড়ে নিজের জনপ্রিয়তার নানা দৃশ্য সংবলিত একটি এআই-নির্মিত মিউজিক ভিডিও শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: ট্রাম্পের ট্রুথ সোশাল অ্যাকাউন্ট

গত ৬ জুন সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশালে নিজের গুণগান ভরা একটি মিউজিক ভিডিও শেয়ার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে তিনি দাবি করেন, বিশ্ব তাকে ভালো না বেসে পারে না। অথচ এদিন ছিল ডি-ডে'র ৮২তম বার্ষিকী। এটি নিয়ে কোনো পোস্ট ট্রাম্পের প্রোফাইলে দেখা যায়নি। 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্রান্সের নরম্যান্ডি সৈকতে মিত্রবাহিনীর অবতরণের দিনটি 'ডি-ডে' হিসেবে পরিচিত। তবে এই দিনে সামাজিক মাধ্যমে নিহত সেনাদের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা জানাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর বদলে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কিছু কনটেন্ট শেয়ার করেছেন, যেখানে নিজের গুণগান ও তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কটাক্ষ করা হয়েছে। 

শনিবার সকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট 'ট্রাম্প' শিরোনামের একটি গানের এআই মিউজিক ভিডিও শেয়ার করেন। এটি তৈরি করেছেন নিউইয়র্কের কংগ্রেস প্রার্থী অ্যান্থনি কনস্ট্যান্টিনো, যাকে ট্রাম্প সম্প্রতি সমর্থন দিয়েছেন।

ভিডিওটিতে মূলত বিশ্বজুড়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ট্রাম্প সিংহের পিঠে চড়ে আছেন, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শিনবাউমের সঙ্গে খাবার খাচ্ছেন এবং হোয়াইট হাউসে ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০-এর এক লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছেন। পুরোটা সময় একটি নেপথ্য সংগীতে বাজতে থাকে—'আমি যেখানেই যাই, তারা ডোনাল্ড ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভালোবাসে।'

৬ জুন কয়েক ঘণ্টা ধরে ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে এটিই ছিল একমাত্র পোস্ট। এরপর তিনি লিংকন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুলের সংস্কারকাজ নিয়ে একটি পোস্ট দেন। তারপর তিনি ওবামা প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরির একটি এআই-নির্মিত ছবি শেয়ার করেন। ওই ছবিতে দেখা যায়, লাইব্রেরিটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, চারপাশে গৃহহীন মানুষের ক্যাম্প এবং ভবনের ঠিক ওপরে ময়লার বিশাল স্তূপ।

ট্রাম্প ছবির ক্যাপশনে লেখেন, 'বারাক হোসেন ওবামা লাইব্রেরি, ১০ বছর পর যখন এটি পুরোপুরি প্রস্তুত হবে!'

ডি-ডে'র বার্ষিকী স্মরণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পোস্ট দেননি। বিকেলে তিনি কমেডিয়ান রোজি ও'ডোনেলকে নিয়ে উপহাস করেন। এ ছাড়া হোয়াইট হাউসের বলরুমের নির্মাণকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া বিচারক রিচার্ড লিয়নের সমালোচনা করে বলেন, তিনি 'দেশকে বিপদে ফেলছেন।'

অন্যদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডি-ডে'র বীরদের স্মরণ করেছেন।

ওবামা প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরিকে জরাজীর্ণ ও ময়লা-আবর্জনায় ভরা ডাস্টবিন হিসেবে দেখিয়ে একটি এআই-নির্মিত ছবি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

আগে কী করতেন ট্রাম্প?

আগের বছরগুলোতে ট্রাম্প ডি-ডে স্মরণে পোস্ট দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে নিহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ডি-ডে'র বীরদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি কথা বলার একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন তিনি। ২০২৩ সালেও ডি-ডে'র একটি ভিডিও মন্টাজ পোস্ট করেছিলেন ট্রাম্প।

তবে ডি-ডে-তে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন সদস্য ও ফেডারেল বিভাগগুলো। এমনকি হোয়াইট হাউসের অফিশিয়াল এক্স পেজ থেকেও ১৯৪৪ সালের ৬ জুন নিহতদের স্মরণে পোস্ট দেওয়া হয়েছে। 

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য 

এদিকে ফ্রান্সে ডি-ডে উদযাপনে অংশ নিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি এই বার্ষিকী নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি ইউরোপের অভিবাসননীতি নিয়ে বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের উদ্বেগের বিষয়টিও তুলে ধরেন। 

শনিবার হেগসেথ বলেন, 'দুঃখজনক হলেও সত্যি, আজ ইউরোপের বিভিন্ন সৈকতে ভিন্ন ধারার ও বিপজ্জনক আদর্শের মানুষরা ভিড় করছে। স্পেন, ইতালি, গ্রিস এবং বুলগেরিয়ার সৈকতে দলে দলে মানুষ আর নৌকা এসে ভিড়ছে।' 

তিনি আরও বলেন, 'ইউরোপীয় দেশগুলো কবে এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে? নাকি বড্ড দেরি হয়ে গেছে? আমি প্রার্থনা করি যেন দেরি না হয়, এবং আমি বিশ্বাস করি এখনো সময় আছে।' 

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্য ট্রাম্পের অতীতের বক্তব্যগুলোরই প্রতিধ্বনি। ট্রাম্পও এর আগে অভিবাসন নিয়ে আরও কঠোর অবস্থান না নেওয়ায় ইউরোপীয় নেতাদের সমালোচনা করেছিলেন।

নিজের দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের, বিশেষ করে ন্যাটো জোটের সদস্যদের তীব্র সমালোচনা করছেন। তার অভিযোগ, সামরিক সহায়তার জন্য এই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল। 

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন না করায় ন্যাটো মিত্রদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)