Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ ভারতের মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআর ‘র উদ্বেগ

বিএসএফ বন্দুক দেখিয়ে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : সোমবার, ৮ জুন,২০২৬, ০১:১৪ এ এম
বিএসএফ বন্দুক দেখিয়ে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে

বিজিবি-বিএসএফ ছবি: সংগৃহীত

 

ভারতের মানবাধিকার সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস’ (এপিডিআর) বা গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষা সমিতি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশব্যাক’ ও ‘পুশইন’ ইস্যু নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে বিএসএফের বাধায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন নারী ও শিশুসহ শতাধিক মানুষ। এই চরম উদ্বেগ ও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে সংগঠনটি  অভিযোগ, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বন্দুকের মুখে নারী ও শিশুদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে।

এপিডিআর-এর সহ-সভাপতি রনজিৎ সুর রোববার এক বিবৃতিতে জানান, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে বিএসএফ কর্তৃক পুশব্যাকের উদ্বেগজনক খবর আসছে। বিএসএফ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে বহু মানুষকে, বিশেষত নারী ও শিশুদের সীমান্তের জিরো পয়েন্টে নিয়ে গিয়ে বন্দুকের ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে তাদের ঢুকতে দিচ্ছে না।

এপিডিআর  এর বিবৃতিতে বলা হয়, সীমান্তের ‘নো ম্যানস ল্যান্ডে’ দিনের পর দিন আটকে আছেন বহু মানুষ। এদের মধ্যে গর্ভবতী নারী ও শিশুও রয়েছে। রোদ-বৃষ্টির মধ্যে খাবার ও পানিহীন অবস্থায় তারা এক ভয়াবহ ও অমানবিক পরিস্থিতির শিকার। বিএসএফ তাদের পুশব্যাক করে দায়িত্ব এড়াতে চাইছে, অন্যদিকে বিজিবি বলছে—এরা যে বাংলাদেশি তার কোনো প্রমাণ নেই, বরং তারা ভারতীয়। ফলে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মাঝখানে পড়ে এক চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে এই মানুষগুলোর। দুই দেশের বাহিনীর অনড় অবস্থানের কারণে এবং মাঝে মাঝে  দুই দেশের সীমান্ত রক্ষাকারীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে যা দুই দেশের জন্যেই অশুভ এবং সীমান্তে নিয়ে যাওয়া নীরিহ মানুষদের জন্যে আরও কষ্টের কারণ।

এপিডিআর এই পরিস্থিতিকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। সংগঠনটি মনে করে, ভারত সরকারের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট’ (শনাক্ত, বাতিল ও বহিষ্কার) নীতিটি সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক ও বেআইনি। এটি ভারতীয় সংবিধানের ১৪ ও ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন। এই ‘থ্রি-ডি’ নীতিই বর্তমান সংকটের মূল উৎস।

মানবাধিকার সংগঠনটির দাবি, ভারত সরকারকে অবিলম্বে এই অসাংবিধানিক পুশব্যাক নীতি বাতিল করতে হবে এবং নো ম্যানস ল্যান্ডে আটকে পড়া প্রতিটি মানুষকে দ্রুত ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে এই মানবিক বিপর্যয় রোধে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের (ইউএনএইচআরসি) জরুরি হস্তক্ষেপও কামনা করেছে সংগঠনটি।
সূত্র- দৈনিক সমকাল

ধ্রুব/টিএম

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)