বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোল বন্দর গেট ছবি: ধ্রুব নিউজ
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি।
তিনি বলেন, সরকারি ছুটির কারণে বুধবার বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকে যথারীতি এসব কার্যক্রম আবার শুরু হবে।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন খান জানান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বুধবার বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। চিকিৎসা, ব্যবসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে যাত্রীরা আগের মতোই যাতায়াত করতে পারবেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বুধবার বন্দরের আমদানি-রপ্তানিসহ সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও আমদানি-রপ্তানি ও বন্দরের কার্যক্রম শুরু হবে। তবে বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাস শেষে খালি ভারতীয় ট্রাকগুলো ফিরে যেতে পারবে।
বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এক দিনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ইতিমধ্যে দুই দেশের বন্দর এলাকায় পণ্যজটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় ৬০০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। পাশাপাশি চিকিৎসা, ব্যবসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে প্রতিদিন দেড় হাজারের বেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী এ পথে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করেন।
বন্দরসংশ্লিষ্টদের হিসাবে, আমদানি-রপ্তানির মাধ্যমে প্রতিদিন সরকার প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। এক দিনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় রাজস্ব আদায়েও এর প্রভাব পড়বে।