Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

বেনাপোলে প্রবেশের অপেক্ষায় শত শত ট্রাক

বেনাপোল প্রতিনিধি বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ জুলাই,২০২৬, ০৪:৪৭ এ এম
বেনাপোলে প্রবেশের অপেক্ষায় শত শত ট্রাক

সীমান্তের ওপারে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক ছবি: ধ্রুব নিউজ

সীমান্তের ওপারে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক। ওপার থেকে ট্রাকগুলো বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকলেও কাস্টমসের নতুন নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের জটিলতা। কার পাস (গেট পাস) ইস্যু নিয়ে আপত্তির জেরে থমকে গেছে ভারত থেকে আসা পণ্যের খালাস ও প্রবেশ প্রক্রিয়া। নতুন ব্যবস্থার কারণে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি বাণিজ্যে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা ও অচলাবস্থা, যা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা।

আটকে থাকা এসব ট্রাঙ্কগুলোর বড় অংশেই রয়েছে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামালসহ অন্যান্য জরুরি শিল্প-কারখানার প্রয়োজনীয় পণ্য। তবে আমদানি প্রক্রিয়ায় জটিলতা থাকলেও রপ্তানি কার্যক্রম এবং সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, কাস্টমসের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক গ্রহণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্টদের প্রতিনিধিদের ওপর বর্তাবে। ট্রাকে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবৈধ পণ্য পাওয়া গেলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিকেই নিতে হবে—কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো দায় নেবে না।

কাস্টমসের এই শর্তে ঘোর আপত্তি জানিয়ে কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পণ্যের আইনি দায় না নিয়েই নিয়ম অনুযায়ী গেট পাসের মাধ্যমে ট্রাক গ্রহণ করে আসছেন। নতুন এই কঠিন শর্তে হুট করে দায়ভার নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণেই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য গেট পাস ইস্যু না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

সিএন্ডএফ কর্মীদের এই অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, পণ্যগুলো ভারতের ভেতর থেকে লোড হয়ে সীমান্ত পেরিয়ে আসে। পথিমধ্যে বা সীমান্তে কোনো ট্রাকে কিছু অবৈধ জিনিস উঠে থাকলে সেটির দায় বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট বা কর্মীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এ ধরনের একপাক্ষিক সিদ্ধান্তের কারণেই আজ বাণিজ্যিক স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, যার চূড়ান্ত খেসারত দিতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, কার পাস–সংক্রান্ত জটিলতার কারণে শনিবার থেকে ওপার থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাক গ্রহণে বিঘ্ন ঘটছে, ফলে আমদানি কার্যক্রম থমকে আছে। তবে বন্দরে রপ্তানি বাণিজ্য এবং যাত্রী পারাপার পুরোপুরি সচল রাখা হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে এই গেটপাস জটিলতা নিরসন করা না গেলে দেশের শিল্প উৎপাদন, অভ্যন্তরীণ বাজার সরবরাহ এবং সার্বিক আমদানিনির্ভর ব্যবসায় এর দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ জন্য তারা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর দ্রুত যৌথ বৈঠকের দাবি জানিয়েছেন।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)