Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ভারত থেকেই যশোরে আসেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন: পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : বুধবার, ২৯ জুলাই,২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
আপডেট : বুধবার, ২৯ জুলাই,২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম
ভারত থেকেই যশোরে আসেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন: পুলিশ

ছবি: ইমনের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

ভারত থেকে দেশে ঢোকেন চার দিন আগে। এরপর আবার ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। ঠিক সময় আটক হন চট্টগ্রামের এই শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে। এ সময় তার আরো তিন সহযোগী আটক হয়েছে।  আজ পুলিশ কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে যশোর-নড়াইল সড়কের ঝুমঝুমপুরে একটি প্রাইভেটকারের ভেতর থেকে তাদের আটক করা হয়। তাদের ধরতে রাস্তায় ট্রাক রেখে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিলো। আটকের পর তাদেরকে চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম।
আটকরা হলেন, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার কাঞ্চনগর গুরামিয়া হাজী চৌধুরী বাড়ি এলাকার মৃত মো. মুসার ছেলে মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন (২৫), ঢাকার শ্যামপুর থানার ২২৭/৩ পরি মোল্লারবাগ জুরাইন পোস্তাগোলা এলাকার মো. জাফরের ছেলে আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল(২৫), মতিঝিল থানার আরকে মিশন রোডের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. শামিম(২৮), নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি থানার সাহারপাড় এলাকার মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে বর্তমানে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার গোলাপবাগ পুলিশ হেডকোয়ার্টারের পেছনে নাহারভিলার বাসিন্দা সাফায়েত হোসেন(২৮)।

ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। বিদেশে পলাতক আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের সহযোগী তিনি। চট্টগ্রামের অন্তত দুই বছর ধরে বেশ কটি হত্যা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক নাজিমুল হক আজ বুধবার বিকেলে গণ মাধ্যমে বলেন, ‘সন্ত্রাসী ইমন চার দিন আগে যশোর সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢোকেন। পুলিশের অভিযানের তথ্য পেয়ে তিনি আবার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এরই মধ্যে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইমন প্রায়ই আসা-যাওয়া করেন। আমাদের কাছে তথ্য আছে, তার কাছে দুটি দেশি-বিদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে এসব বিষয়ের বিস্তারিত জানা যাবে।’

পুলিশ সূত্র জানায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। তার সঙ্গে সেখানে থাকতেন ইমন। এদিকে সাজ্জাদ আলীর আরেক সহযোগী মো. রায়হানকে ধরতেও গতকাল রাতে নোয়াখালীতে অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তবে পুলিশ যাওয়ার আগেই বাড়ির দেয়াল টপকে রায়হান পালিয়ে যান। তাকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কে এই ইমন

মোবারক হোসেন ইমনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে অন্তত ১৫ টি। ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন, একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য, ইমন ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেছেন—এমন তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। অস্ত্র ব্যবহারে তিনি দক্ষ। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসী ও মোটরসাইকেল ভাড়া করার দায়িত্বও তাঁর ছিল বলে পুলিশের দাবি।

 

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়া দুজনের একজন ইমন। অপরজন মোহাম্মদ রায়হান। এর আগে দেশে সন্ত্রাসী দলটির নেতৃত্ব দিতেন সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ। তিনি কারাগারে যাওয়ার পর ইমন ও রায়হান দলটির নেতৃত্বে আসেন। রায়হানের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি, অস্ত্র, হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে।

পুলিশের দাবি, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। মোহাম্মদ রায়হান ও ইমন বড় সাজ্জাদের হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছেন।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)