সাজাপ্রাপ্ত ৭ মাদকসেবী ছবি: ধ্রুব নিউজ
যশোর উপশহর এলাকা থেকে আটক সাত মাদক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাওমীদ হাসান এই দণ্ডাদেশ দেন।
এর আগে শুক্রবার রাতে উপশহরের বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করে পুলিশ।
আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন— উপশহর ১ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা তরিকুল ইসলামের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি তাসিন ইসলাম (২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা), উপশহর শিক্ষা বোর্ড এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি রমজান শেখ (৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা), বাহাদুরপুর মেহগনি তলা এলাকার বাসিন্দা রাসেল কবিরের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি রাকিবুল হাসান রাব্বি (১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা), বাহাদুরপুর মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলিমের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইয়াসিন হোসেন সুজন (১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা), বিরামপুর গুলশান মোড় এলাকার বাসিন্দা অসীম অধিকারীর ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি অলিফ অধিকারী (১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা), একই এলাকার বাসিন্দা সাইদুল শেখের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি রোকন হোসেন (১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা) এবং বিরামপুর ফকিরার মোড় এলাকার বাসিন্দা মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামি রাহুল হোসেন (১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপশহর এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহেও কয়েকজন মাদক কারবারিকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়েছিল। পাশাপাশি সংলগ্ন বস্তি এলাকাগুলোতে চিহ্নিত মাদক কারবারিদের ধরতে ধারাবাহিক চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযানের বিষয়ে যশোর উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর অলোক কুমার দে জানান, উপশহরকে মাদকমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সমাজকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।