নিজস্ব প্রতিবেদক
নিহত জিতু ছবি: ধ্রুব নিউজ
যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী শরিফুল ইসলাম জিতু হত্যার ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে নিহতের ভাই সাইফুল ইসলাম শক্তি বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
মামলার আসামিরা হলেন—একই এলাকার সুমন, তার মা শুকুরান বেগম, ভাই সজীব এবং তার স্ত্রী। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আগেই সুমনকে আটক করে ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জুলাই রাত ১০টার দিকে সুমন মোবাইল ফোনে ডেকে শরিফুল ইসলাম জিতুকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। জিতু তার পরিচিত মারুফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে সুমনের বাড়িতে গেলে তার মা শুকুরান বেগম পেছন থেকে তাকে জাপটে ধরেন। এ সময় সুমনসহ অন্য আসামিরা ধারালো দা দিয়ে কোপাতে থাকলে জিতুর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থান মারাত্মক জখম হয়। জিতুকে উদ্ধার করতে গেলে মারুফও হামলায় আহত হন। পরে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত জিতুকে উদ্ধার করে। তাকে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়; পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এজাহারে চারজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪-৫ জন এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে জানানো হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, জিতু হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আটক সুমনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর (শো-অ্যারেস্ট) আবেদন করা হবে। পাশাপাশি অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।