Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

মা ও ৩ বোনকে হত্যার ঘটনায় মামলা করলেন একমাত্র বেঁচে যাওয়া সিফাত

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৬ জুন,২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
মা ও ৩ বোনকে হত্যার ঘটনায় মামলা করলেন একমাত্র বেঁচে যাওয়া সিফাত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌর শহরের একটি বাসায় ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে নিহত পরিবারের একমাত্র ছেলে জুনাইদ ইসলাম সিফাত বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা নদীর পাড় সড়কের আমির হোসেন মাস্টারের পাঁচতলা ভবনের নিচতলার বাসায় ঢুকে শাহিনুর বেগম (৩৮), তার মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ছোট মেয়ে ফাতেমা আক্তার শিফাকে (১০) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তাদের চিৎকার শুনে জানালা দিয়ে বাসায় একজনকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আফরোজা বেগম রানী বাইরে থেকে গেট বন্ধ করে দেন। এতে অভিযুক্ত অন্তর মজুমদার ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন। পরে ওই নারী আশপাশের লোকজনকে খবর দিলে তারা বাসায় ঢুকে নিহতদের রক্তাক্ত দেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন।

এসময় অভিযুক্ত বাসার ছাদে উঠে পার্শ্ববর্তী বাসার ছাদে গিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দেন। এতে মারা যান ওই যুবক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর অভিযুক্ত যুবক একই ভবনের পঞ্চম তলায় ভাড়া থাকতেন। আট মাস আগে বাসা ছেড়ে তিনি চলে যান।

অন্তর মজুমদার জানতেন বাসা ভাড়ার টাকা সবাই শাহিনুরের কাছে জমা দিতেন। তার কিছু স্বর্ণালংকারও ছিল। ডাকাতির উদ্দেশ্যে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা।

নিহত শাহিনুরের ছোট ভাই ছানা উল্লাহ বলেন, ‘আমার বোনের স্বর্ণালংকার ছিল। সেগুলো লুট করতেই সে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি-না তা বের করার দাবি জানাচ্ছি।’

এ হত্যাকাণ্ডে মা ও তিন বোনকে হারিয়েছেন জুনাইদ ইসলাম সিফাত। তার ভাষ্য, ‌‘ঘটনাটি টাকা বা স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যেও হতে পারে। কারণ বাড়িওয়ালা না থাকলে আম্মুর কাছে সবাই ভাড়া দিতেন। পরে বাড়িওয়ালা নিয়ে যেতেন। এছাড়া বাসার দায়িত্বে ছিলেন আম্মু। বাসা ছেড়ে এখান থেকে যাওয়ার পর অন্তরকে আর কখনো আসতে দেখিনি।’

রায়পুর বণিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম মুরাদ বলেন, ‘একটি লোকের দ্বারা চারজনকে খুন করা সম্ভব কি-না, এটা নিয়ে আমরা সবাই ধোঁয়াশার মধ্যে আছি। খুনের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি-না বা কী কারণে খুণ করা হয়েছে, আশা করি তদন্ত শেষে প্রশাসন আমাদেরকে জানাবে।’

এ বিষয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, ‘ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত শাহিনুরের ছেলে সিফাত বাদী হয়ে মামলা করেছে। মামলার তদন্ত চলমান। কী কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।’

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)