সংস্কৃতি ডেস্ক
নাট্যাঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে। আজ ১৮ আগস্ট জাবিতে সেলিম আল দীনের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ঢাকা থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার আয়োজিত তিন দিনের নাট্যোৎসব। এ উপলক্ষ্যে রাজধানীর শিল্পকলা একডেমিতে বক্তৃতা অনুষ্ঠান ও নাট্য প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ‘সেলিম আল দীন সংগ্রহশালা’। একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে সোমবার বিকালে ‘আলাপে সেলিম আল দীন ও নাটকের রাজনীতি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে একক বক্তব্য দেন আজফার হোসেন। ওই স্থানে সন্ধ্যা ৭টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘ধাবমান’ মঞ্চায়ন হয়। অন্যদিকে নাট্য সংগঠন স্বপ্নদলও তিন দিনের নাট্যোৎসব করতে যাচ্ছে। এছাড়া মঙ্গলবার জাহাঙ্গীর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগেরও দিনব্যাপী আয়োজন রয়েছে।
সেলিম আল দীন : ১৯৪৯ সালের এদিনে ফেনীর সোনাগাজীর সেনেরখিল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পাশ্চাত্য শিল্পের সব বিভাজনকে এদেশের সহস্র বছরের নন্দনতত্ত্বের আলোকে অস্বীকার করে এক নবতর শিল্পরীতি প্রবর্তন করেন সেলিম আল দীন, যার নাম দেন ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব’। তিনি চিত্রনাট্য, অনুবাদ, কবিতা, গান ও প্রবন্ধসহ সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে-‘সংবাদ কার্টুন’, ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’, ‘মুনতাসির ফ্যান্টাসী’, ‘শকুন্তলা’, ‘কীত্তনখোলা’, ‘বাসন’, ‘কেরামতমঙ্গল’, ‘চাকা’, ‘হরগজ’, ‘যৈবতী কন্যার মন’, ‘হাতহদাই’, ‘প্রাচ্য’, ‘নিমজ্জন’, ‘বনপাংশুল’, ‘স্বর্ণবোয়াল’, ‘পুত্র’ ও ‘ধাবমান’। ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি ঢাকায় মারা যান। জাবি ক্যাম্পাসে তাকে সমাহিত করা হয়।