নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: প্রতীকী
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল গেট সংলগ্ন ‘যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ গায়ের জোরে দখল, অংশীদারদের সম্মানী ভাতা ও লভ্যাংশের প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সরোয়ার হোসেন বাদী হয়ে এই মামলা করেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন—শহরের নতুন উপশহর এ-ব্লকের বাসিন্দা ডা. অহিদুজ্জামান, শেখহাটি বাবলাতলা এলাকার মাসুদ পারভেজ এবং বাঘারপাড়া উপজেলার হলদা গ্রামের ফারুক হোসেন।
মামলার আরজি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালে ৮ জন অংশীদারের যৌথ চুক্তির মাধ্যমে যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠাতা এমডি হিসেবে সরোয়ার হোসেনের মাসিক ১৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা পাওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ উঠেছে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি আসামিরা যোগসাজশ করে জোরপূর্বক ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি দখল করেন এবং বাদীকে সেখান থেকে বের করে দেন।
এরপর থেকে কোনো সাধারণ সভা বা হিসাব-নিকাশ না করে আসামিরা বাদীর ১৯ মাসের সম্মানী ভাতা বাবদ ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, চারটি ঈদের বোনাস বাবদ ৩০ হাজার টাকা এবং অন্য অংশীদারদের আনুমানিক ২১ লাখ টাকার লভ্যাংশ বন্টন না করে আত্মসাৎ করেন।
সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই বিকেলে পাওনা টাকা ও হিসাব চাইতে গেলে আসামিরা বাদীসহ অন্য অংশীদারদের সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সুরাহা করতে ব্যর্থ হয়ে বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন।