ক্রীড়া ডেস্ক
বাবরের সেঞ্চুরিতে চার বছর পর আবারও ফাইনালে পেশোয়ার জালমি ছবি: পিসিবি
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান! ২০২১ সালের পর আবারও পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে জায়গা করে নিল পেশোয়ার জালমি। অধিনায়ক বাবর আজমের অনবদ্য এক সেঞ্চুরিতে কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে ৭০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। অন্যদিকে, হারলেও আসর থেকে ছিটকে যায়নি ইসলামাবাদ; ফাইনালে ওঠার দ্বিতীয় সুযোগ হিসেবে তাদের এখন খেলতে হবে দ্বিতীয় এলিমিনেটর।
করাচির ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রীতিমতো রানের পাহাড় গড়ে পেশোয়ার। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে থাকা বাবর আজম খেলেন ৫৯ বলে ১০৩ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস। তার এই ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ৪টি ছক্কার মার।
পেশোয়ারের শুরুটা ছিল বিধ্বংসী। মোহাম্মদ হারিস মাত্র ১৬ বলে ৩৫ রান করে আউট হওয়ার আগে বাবরের সাথে জুটিতে যোগ করেন ৭২ রান। পাওয়ারপ্লে-তেই পেশোয়ার তুলে নেয় ৬৮ রান। এরপর কুসাল মেন্ডিসের সাথে বাবরের ৮৪ রানের জুটি বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। মেন্ডিস করেন ৪১ রান। শেষদিকে অ্যারন হার্ডির ১০ বলে ২০ রানের ক্যামিওতে ৭ উইকেটে ২২১ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় জালমি।
এই সেঞ্চুরির পথে বাবর আজম চলতি আসরে মোট ৫৮৮ রান সংগ্রহ করেছেন, যা পিএসএলের এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডে ভাগ বসানো। ইসলামাবাদের পক্ষে অধিনায়ক শাদাব খান ৩টি উইকেট নিলেও তা রান আটকাতে যথেষ্ট ছিল না।
২২২ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করেছিল ইসলামাবাদও। ডেভন কনওয়ে ও সামির মিনহাজ ৫ ওভারেই তুলে ফেলেন ৫৮ রান। কিন্তু কনওয়ে (২০) এবং মিনহাজ (৪৪) আউট হওয়ার পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইসলামাবাদের ব্যাটিং লাইনআপ। ৮১ রানে ২ উইকেট থেকে ১১৪ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা।
পেশোয়ারের বোলারদের তোপে ১৮.৪ ওভারে মাত্র ১৫১ রানেই অল-আউট হয় ইসলামাবাদ। অ্যারন হার্ডি ৩টি ও সুফিয়ান মুকিম ২টি উইকেট শিকার করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পেশোয়ার জালমি: ২২১/৭ (২০ ওভার); বাবর ১০৩, শাদাব ৩/৪২।
ইসলামাবাদ ইউনাইটেড: ১৫১ অল-আউট (১৮.৪ ওভার); সামির ৪৪, হার্ডি ৩/২৪।
ফল: পেশোয়ার জালমি ৭০ রানে জয়ী।