Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

যশোর আইটি পার্কের হোটেল নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত চায় খান প্রপার্টিজ

ধ্রুব নিউজ ধ্রুব নিউজ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০১:৪০ পিএম
যশোর আইটি পার্কের হোটেল নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত চায় খান প্রপার্টিজ

মো. শামছুজ্জামান স্বজন ছবি: ধ্রুব নিউজ

যশোর শেখ হাসিনা সফটওয়্যার প্রযুক্তি পার্কের (আইটি পার্ক) হোটেল ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা নিয়ে সম্প্রতি উঠা বিভিন্ন অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও তথ্য-প্রমাণভিত্তিক তদন্ত দাবি করেছে পরিচালনা প্রতিষ্ঠান খান প্রপার্টিজ গ্রুপ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শামছুজ্জামান স্বজন এ দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, হোটেলকে ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ঘণ্টা হিসেবে কক্ষ ভাড়া, গোপনে ছবি-ভিডিও ধারণ এবং তা ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল করার মতো মারাত্মক সব অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যেই আইটি পার্ক পরিদর্শন করেছে।

খান প্রপার্টিজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২২ সালে তারা যশোর আইটি পার্কের হোটেল প্রকল্পের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। ব্যাপক সংস্কার, আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম স্থাপন এবং কর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ শেষে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে হোটেলটির পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। তাদের পরিচালনাকালে এই হোটেল থেকে মোট ৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা মোট (গ্রস) আয় হয়, যার মধ্যে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা সরকারি রেভিনিউ শেয়ার হিসেবে কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৭০ জন স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছিল।

সংবাদ সম্মেলনে শামছুজ্জামান স্বজন অভিযোগ করেন, ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে খান প্রপার্টিজকে সাময়িকভাবে হোটেলের পরিচালনা থেকে সরে যেতে বলা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে চুক্তি বা নিয়ম অনুযায়ী তাদের আর দায়িত্বে ফিরতে দেওয়া হয়নি; বরং অনিয়মতান্ত্রিকভাবে অন্য একটি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে হোটেলের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তাদের বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও সম্পদ হোটেল প্রাঙ্গণেই আটকে রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের দাবি, বর্তমান ব্যবস্থাপকদের আমলে সংঘটিত যেকোনো অপকর্ম বা অভিযোগের দায় পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনার ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই সমীচীন নয়। খান প্রপার্টিজের পরিচালনাকালে কোনো ধরনের অনৈতিক বা বেআইনি কর্মকাণ্ড ঘটার সুযোগ ছিল না।

সংবাদ সম্মেলন থেকে খান প্রপার্টিজ গ্রুপ তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করে: ১. বর্তমান ও পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনার সময়কাল পৃথক করে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করা।

২. বর্তমানে দায়িত্বে থাকা অপারেটরের বিতর্কিত কার্যক্রম পর্যালোচনা করা।

৩. খান প্রপার্টিজের বিনিয়োগ করা সরঞ্জাম, বকেয়া পাওনা ও অন্যান্য দাবির নথিপত্রভিত্তিক দ্রুত নিষ্পত্তি করা।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)