নিজস্ব প্রতিবেদক
চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ছবি: ধ্রুব নিউজ
চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আজ দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে চৌগাছা কাঁচাবাজার ইজারাদারদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে বক্তারা জানান, চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য স্থানীয় ৬৮১ নম্বর দাগের ৪৮ শতক জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত এই জমিতে মসজিদ নির্মিত হলে চৌগাছা পৌর সাধারণ হাটের শতাধিক দোকান ভেঙে ফেলতে হবে। এতে প্রায় ১০০টি দোকানের মালিক ও তাদের ওপর নির্ভরশীল প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পরিবারের জীবন-জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে। এছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা এসব ব্যবসায়ী নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জনস্বার্থ ও ব্যবসায়ীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে কপোতাক্ষ নদের তীরে বিকল্প স্থানে মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, একই মালিকানাধীন ৬৫৩ নম্বর দাগে নদের তীরে প্রায় ৪৯ শতক জমি রয়েছে। সেখান থেকে ৪৮ শতক জায়গা বরাদ্দ দিয়ে মডেল মসজিদটি নির্মাণ করা হলে একদিকে যেমন পরিবেশ নান্দনিক হবে, অন্যদিকে চৌগাছার ঐতিহ্যবাহী কাঁচাবাজার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জীবিকাও রক্ষা পাবে।
যশোরে মডেল মসজিদ নির্মাণের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আজ দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে চৌগাছা কাঁচাবাজার ইজারাদারদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে বক্তারা জানান, চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য স্থানীয় ৬৮১ নম্বর দাগের ৪৮ শতক জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত এই জমিতে মসজিদ নির্মিত হলে চৌগাছা পৌর সাধারণ হাটের শতাধিক দোকান ভেঙে ফেলতে হবে। এতে প্রায় ১০০টি দোকানের মালিক ও তাদের ওপর নির্ভরশীল প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পরিবারের জীবন-জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে। এছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা এসব ব্যবসায়ী নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জনস্বার্থ ও ব্যবসায়ীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে কপোতাক্ষ নদের তীরে বিকল্প স্থানে মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, একই মালিকানাধীন ৬৫৩ নম্বর দাগে নদের তীরে প্রায় ৪৯ শতক জমি রয়েছে। সেখান থেকে ৪৮ শতক জায়গা বরাদ্দ দিয়ে মডেল মসজিদটি নির্মাণ করা হলে একদিকে যেমন পরিবেশ নান্দনিক হবে, অন্যদিকে চৌগাছার ঐতিহ্যবাহী কাঁচাবাজার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জীবিকাও রক্ষা পাবে।