ছবি: সংগৃহীত
আজ ১৬ জুলাই দেশব্যাপী প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হতে যাচ্ছে ‘জুলাই শহিদ দিবস’। ২০২৪ সালের এই দিনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তার এই শাহাদাতের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে সরকার এই দিনটিকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে যশোরে জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে এই বিশেষ দিবসটি পালনের জন্য যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার স্বাক্ষরিত কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল ১০টায় যশোর কালেক্টরেট চত্বর থেকে একটি র্যালি হবে। র্যালিটি শহর প্রদক্ষিণ করে বকুলতলায় নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ’-এ গিয়ে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এরপর যশোরের প্রতিটি মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও অন্যান্য ধর্মীয় উপসনালয়ে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া জেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুলাই শহিদদের স্মরণে বিশেষ আলোচনা ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
একই সঙ্গে দিবসটি উদযাপনে যশোর জিলা স্কুল, যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজসহ জেলার অন্যতম প্রধান ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় সুনির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী বিশেষ স্মরণ সভা ও প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা সভার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়ে ১৬ জুলাই ভোর ৬টা ১ মিনিটে রায়েরবাজারস্থ জুলাই শহিদ গণকবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের মাধ্যমে দিবসের সূচনা হবে। দেশের বাইরে অবস্থিত সব বাংলাদেশ মিশন ও দূতাবাসেও বিশেষ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া রংপুরে ‘শহিদ আবু সাঈদ চত্বরে’ শহিদ আবু সাঈদের এবং চট্টগ্রামে শহিদ ওয়াসিম আকরামের শাহাদাতবরণের স্থানে স্মৃতিফলকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।