Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ এমপি গোলাম রছুলের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী

দেশে কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা ২৫ হাজার শিক্ষার্থী ৭০ লাখ

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই,২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
দেশে কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা ২৫ হাজার শিক্ষার্থী ৭০ লাখ

আ ন ম এহছানুল হক মিলন ছবি: সংগৃহীত

প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে, পদার্থ বিজ্ঞানের ভুল প্রশ্নের জন্য পূর্ণ নম্বর

জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ২৫ হাজার কওমি মাদ্রাসা রয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রছুলের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান। এ সময় মন্ত্রী দেশের সামগ্রিক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা কাঠামোর একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে আরও জানান, দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৫৬৯টি, যেখানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯৯ লাখ ৫৮ হাজার ২৪৬ জন। এছাড়া ৩২ হাজার ৬৬৩টি কিন্ডাগার্টেনে ৬০ লাখ ৮৯ হাজার ৩১৩ জন, ৯ হাজার ২৯৫টি সংযুক্ত এবতেদায়ি মাদ্রাসায় প্রায় ১৫ লাখ এবং ৭ হাজার ৫২৮টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসায় প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও বন্যার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া এবং পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুলের কারণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে জাতীয় সংসদে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। আজ বিকেলে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্বে জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল ছিল এবং এই দুটি প্রশ্নের জন্য পরীক্ষার্থীরা পূর্ণ নম্বর পাবেন। যেসব কেন্দ্রে বন্যার কারণে পরীক্ষা গ্রহণে সমস্যা হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে সেসব কেন্দ্রে প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে। মন্ত্রী ক্ষুব্ধ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে অবিলম্বে পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের চেয়ে সরকার বেশি উদ্বিগ্ন যে কীভাবে এই দুর্যোগের মধ্যে পরীক্ষা সঠিকভাবে সম্পন্ন করা যায়। চট্টগ্রাম বোর্ডে ইতিমধ্যে স্থগিত হওয়া পরীক্ষার মতো অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এর আগে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে পরীক্ষা দেওয়ায় গতকালই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থ বিজ্ঞান (প্রথম পত্র), মানবিক বিভাগের যুক্তিবিদ্যা (প্রথম পত্র) এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাব বিজ্ঞান (প্রথম পত্র) পরীক্ষা চলাকালে বিশেষ করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে কেন্দ্রে যাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এই বিষয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৬৪ জেলার এসপি, বিভাগীয় কমিশনার ও শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের পাশাপাশি আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে পরীক্ষা সচল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে কোনো নির্দিষ্ট কেন্দ্রে পানি উঠলে স্থানীয় প্রশাসনকে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া আছে। কুমিল্লার ওই কেন্দ্রে ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসনের সহায়তায় পরীক্ষার্থীদের নৌকায় ভবনের পাঁচতলায় নিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া হয়। প্রশ্নপত্রের ভুলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র চার মাস হওয়ায় বিগত সরকারের সময় তৈরি হওয়া প্রশ্নপত্র মডারেশন করার সুযোগ তারা পাননি, তবে শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হতে দেওয়া হবে না।

 

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)