Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ভারতসহ ১০ দেশের ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের পথে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১০:১৮ পিএম
ভারতসহ ১০ দেশের ওপর ১০০% শুল্ক আরোপের পথে যুক্তরাষ্ট্র

ডোনাল্ড ট্রাম্প ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অর্থায়নের প্রধান উৎস ধ্বংস করতে এবার নতুন ও কঠোর কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে ওয়াশিংটন। মস্কো এবং তেহরানের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা আরও তীব্র করার অংশ হিসেবে ভারতসহ ১০টি মিত্র ও অংশীদার দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের এক শক্তিশালী প্রস্তাব আনা হয়েছে মার্কিন কংগ্রেসে। রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানি অব্যাহত রাখার কারণেই প্রধানত এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মুখে পড়তে যাচ্ছে দেশগুলো।

​বর্তমানে ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ শীর্ষক এই বহুল আলোচিত বিলটি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) পাস হওয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিলটি পাসের সুবিধার্থে আনা প্রাথমিক একটি পদ্ধতিগত প্রস্তাব ২১৪-২১১ ভোটে পাস হয়ে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেছে। সিনেটে ইতোমধ্যে ৮৬-১১ মেজোরিটিতে ছাড়পত্র পাওয়া এই বিলটি প্রতিনিধি পরিষদে চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হলেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের মাধ্যমে কার্যকর আইনে পরিণত হবে।

​প্রস্তাবিত এই সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের এই নজিরবিহীন শুল্ক কিংবা বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ১০টি দেশ হলো—ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান এবং কিরগিজস্তান। মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মূল লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ এড়িয়ে চলা রাশিয়ার বিশাল ‘ছায়াবহর’ (শ্যাডো ফ্লিট) এবং দেশটির শীর্ষ জ্বালানি খাতের রাজস্ব আয় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বে বহু দেশ পরোক্ষ উপায়ে রুশ তেল আমদানি অব্যাহত রাখায় এবার সরাসরি শুল্কের অস্ত্র হাতে নিচ্ছে হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকরা।

​তবে ওয়াশিংটনের ভেতরেই এই বিলটি নিয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র বিতর্ক। হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস এই প্রস্তাবের কড়া সমালোচনা করে সতর্ক করেছেন যে, এই বিল আইন হিসেবে পাস হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে একক ও অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা দেবে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বহুদিনের গড়ে তোলা কূটনৈতিক জোট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)