Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস: ২০২৭ পর্যন্ত আরও শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১২:২২ পিএম
মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস: ২০২৭ পর্যন্ত আরও শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার স্বাভাবিক রূপ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। প্রশান্ত মহাসাগরের অস্বাভাবিক উষ্ণতার কারণে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক আবহাওয়াজনিত ঘটনা 'এল নিনো' সামনের দিনগুলোতে আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব বজায় থাকার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষের দিকে এটি সর্বোচ্চ শক্তিশালী অবস্থায় পৌঁছাবে এবং এর জেরে আগামী বছর বিশ্বজুড়ে খরা, অতিবৃষ্টি, চরম দাবদাহ ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের মতো বিপর্যয় মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।

জলবায়ুর এই দ্রুত পরিবর্তনের প্রভাব ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, বিশ্ব এখন এমন এক চরম উত্তপ্ত ও অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে প্রবেশ করেছে যা মানবজাতি আগে কখনো দেখেনি। বিজ্ঞানের এই তথ্যে সংশয়ের কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি দ্রুত বিশ্ববাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। প্রতি দুই থেকে সাত বছর পর পর বাণিজ্যিক বায়ুর প্রবাহ দুর্বল হয়ে পড়লে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাংশের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায়, যা এল নিনো পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। সাধারণত এটি প্রায় এক বছর স্থায়ী হলেও এবারের পর্বটি তুলনামূলক দীর্ঘ ও অধিক শক্তিশালী রূপ নিচ্ছে।

এল নিনোর আঘাত কেবল আবহাওয়ার পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এর বহুমুখী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, সুপেয় পানি, জনস্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতে। ইতোমধ্যেই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকাগুলোতে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে; বিশেষ করে মধ্য আমেরিকার শুষ্ক অঞ্চলে দেখা দিয়েছে চরম খাদ্যসংকট। দীর্ঘমেয়াদি খরা ও অনাবৃষ্টির কারণে কৃষিপণ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে খাদ্য সরবরাহে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে আগাম সতর্কতা জোরদার ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে ডব্লিউএমও। সংস্থাটির প্রধান সেলেস্তে সাওলো জানান, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এবং কৃষি, স্বাস্থ্য ও পানিসম্পদের মতো সংবেদনশীল খাতগুলোকে সুরক্ষা দিতে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে। এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবেলা এবং খাদ্য ও জলবায়ু সংকট এড়াতে বিশ্বজুড়ে এখন থেকেই ব্যাপক পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)