ধ্রুব ডেস্ক
ছবি: সংগৃুহীত
৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদত্যাগ করেছেন। তারা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থক আইনজীবী হিসেবে পরিচিত বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর আজ বুধবার বিকেলে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগ করা এই ১৮ আইন কর্মকর্তা বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বলেন, ১৮ জন আইন কর্মকর্তা পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রয়েছেন। প্রক্রিয়া অনুসারে পদত্যাগপত্রগুলো এখন আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
আইন কর্মকর্তার পদ থেকে পদত্যাগ করা এক আইনজীবীর তথ্যমতে, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে পদত্যাগ করা সাত আইনজীবী হলেন মো. ইউসুফ আলী, মুহাম্মদ আবদুল করিম, মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া, ফরিদ উদ্দিন খান, মো. আসাদ উদ্দিন ও মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। আর সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে পদত্যাগ করা ১১ আইনজীবী হলেন ইমরুল কায়েছ, মো. হুমায়ুন কবির, মো. আবদুল কাইয়ুম ভূঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, মো. জোবায়দুর রহমান, মোহাম্মদ শামসিল আরেফিন, মাহবুবা আক্তার রলী, মীর এ কে এম নূরুননবী, আল রেজা মো. আমির, মো. রেজাউল ইসলাম ও মো. জাকির হোসেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে পদত্যাগ করা আইনজীবী মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, মূলত তিনটি কারণে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। কারণগুলো হলো জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ ও বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল করা।
এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত হচ্ছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় ও বিচারপতি নিয়োগে অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের পক্ষে, সে কারণে পদত্যাগ দিয়েছি।’
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের (ডিএজি) সংখ্যা ১০৩। আর এএজির সংখ্যা ২২৯। এর মধ্যে ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করলেন।