নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় । ছবি: ধ্রুব নিউজ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ইএসটি) বিভাগের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাসফরে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত প্রভাষক মো. মনিরুল ইসলামকে আপাতত সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে ভবিষ্যতে কোনো ব্যাচের শিক্ষাসফরের দায়িত্ব না দেওয়ারও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হোসাইন সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি অধিকতর তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের 'যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধকল্পে গঠিত কমপ্লেইন্ট কমিটি'কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন। এর আগে, গত ৯ মে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে ৫ সদস্যের একটি 'ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং' কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির অনুরোধে নির্ধারিত সময়ের পর আরও দুই কার্যদিবস সময় বাড়িয়ে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়।
যৌন নিপীড়ন বিষয়ক কমপ্লেইন্ট কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার জানান, ‘আমরা বুধবার রাতে এ সংক্রান্ত একটি মেইল পেয়েছি। যেহেতু বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, তাই শনিবার কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সভা করা হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণ সাপেক্ষে আমরা দ্রুতই কাজ শুরু করব।’
ইএসটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোপাল চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘বিভাগের পক্ষ থেকে আমাদের বক্তব্য লিখিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িকভাবে সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে।’
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাসফরে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে প্রভাষক মো. মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গণমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।