Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ ২০১৮ সালে জেসিপিওএ চুক্তি বহাল থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না

অপারেশন এপিক ফিউরি’: ২-৩ সপ্তাহেই ইরানে কাজ শেষ হবে, দাবি ট্রাম্পের

❒ ইরানিরা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যকামনা করে

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল,২০২৬, ০৯:১৮ এ এম
অপারেশন এপিক ফিউরি’: ২-৩ সপ্তাহেই ইরানে কাজ শেষ হবে, দাবি ট্রাম্পের

ভাষণরত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ছবি: সংগৃহীত

 

রানে পরিচালিত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র লক্ষ্য অর্জনের একদম শেষ প্রান্তে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (স্থানীয় সময়) বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেএ দাবি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাজ শেষ করতে বড়জোর আর দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে। ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ইরানিরা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যকামনা করে।আর তিনি যদি ইরানের সঙ্গে হওয়া ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি থেকে ২০১৮ সালে বের না হয়ে আসতেন তাহলে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না।

ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, গত চার সপ্তাহে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে ‘দ্রুত ও অপ্রতিরোধ্য’ জয় অর্জন করেছে। তিনি বলেন, ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরানের অধিকাংশ শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করেন যে, শাসন পরিবর্তন লক্ষ্য না থাকলেও, মূল নেতাদের মৃত্যুর ফলে সেখানে প্রশাসনিক পরিবর্তন ঘটে গেছে।

ভাষণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে আরও ‘চরম আঘাত’ করা হবে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি না হয়, তবে ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র (Power Plant) লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে। তিনি বলেন, "আমরা তাদের সেই প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেব, যেখানে তাদের থাকা উচিত।"

২০১৮ সালে জেসিপিওএ (JCPOA- Joint Comprehensive Plan of Action, বা 'ইরান পারমাণবিক চুক্তি') চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সঠিক দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ওই চুক্তি বহাল থাকলে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না। তিনি ইসরায়েল, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মতো মিত্র দেশগুলোর সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির কাছাকাছি ছিল। যদিও তিনি তার দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি। যুদ্ধ শুরুর আগে ইরান একাধিকবার জানিয়েছিল, তারা কোনো ধরনের পারমাণবিক বোমা তৈরি করছে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আমি ২০১৫ সাল থেকে বলছি ইরানকে কখনো পারমাণবিক বোমার অধিকারী হতে দেওয়া হবে না। ইরানিরা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যকামনা করে।’

ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে হওয়া ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি থেকে যদি তিনি বের না হয়ে আসতেন তাহলে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না।

২০১৫ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের সঙ্গে ওই চুক্তিটি করেন। যারমাধ্যমে ইরান ইউরেনিয়াম মজুদকরণের পরিমাণ কমিয়ে দিতে রাজি হয়েছিল। এর বদলে তাদের ওপর দেওয়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হয়। কিন্তু ২০১৮ সালে ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে বের হয়ে যান।

যুদ্ধে মার্কিন নাগরিকদের ওপর পড়া প্রভাব স্বীকার করে ট্রাম্প জানান, তেলের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এটি ‘সাময়িক’ বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে, ট্রাম্পের এমন একপাক্ষিক বিজয়ের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। তারা সতর্ক করে বলেছেন, নিরপেক্ষ কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়া যুদ্ধের ফলাফল সম্পর্কে এই ধরনের ঘোষণাকে পুরোপুরি গ্রহণ করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

 

ধ্রুব/টিএম

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)