নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয় ছবি: ধ্রুব নিউজ
যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়াসহ দিনভর নানা কর্মসূচি পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।
এরপর সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুনের নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে যশোর শহরের মণিহারস্থ কেন্দ্রীয় বিজয় স্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণকালে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিবসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি, দেশের অব্যাহত উন্নয়ন এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এই বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, "স্বাধীনতার এই চেতনাকে ধারণ করে আমাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গবেষণায় আরও এগিয়ে যেতে হবে। তবেই শহীদদের স্বপ্ন ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সম্ভব হবে।"
বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ভবনগুলোতে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়।