ধ্রুব ডেস্ক
মার্কিন সামরিক বাহিনীর অনেক সদস্য হোটেলসহ বিভিন্ন অস্থায়ী জায়গায় বসে ইরানে যুদ্ধ চালিয়ে নিচ্ছেন বলে খবর দিয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের বরাতে এসব খবরে বলা হয়েছে, ইরানের হামলায় অনেক সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সামরিক লোকবল বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বুধবার নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে মার্কিন ঘাঁটি, দূতাবাস ও আঞ্চলিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে তেহরান হামলা চালাচ্ছে। এর ফলে পেন্টাগনকে হাজার হাজার সেনাকে অস্থায়ী বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়, একাধিক দেশে কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটি বসবাসের প্রায় অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবাতে ছয় মার্কিন সেনা নিহত হন। সেখানে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রও ধ্বংস হয়।
অন্যান্য সামরিক স্থাপনার মধ্যে আলি আল সালেম, ক্যাম্প বুহরিং, আল উদেইদ ও প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে মার্কিন সেনারা কোথায় আছেন, সেই অবস্থান জানাতে ইরানের বেসামরিক লোকজনকে আহ্বান জানিয়েছে দেশটির ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ডস কোর্পস (আইআরজিসি)।
তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, “আমেরিকান সন্ত্রাসীদের লুকানোর স্থান জানানোটা আপনার ইসলামি দায়িত্ব। তাদের তথ্য আমাদের টেলিগ্রামে পাঠান।”
হোটেলে বসে সামরিক কার্যক্রম চালানোয় নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মাস্টার সার্জেন্ট ওয়েস জে. ব্রায়ান্ট।
তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “সব সরঞ্জাম তো হোটেলের ছাদে রাখা যায় না। কিছু না কিছু ক্ষতি হবেই।”
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন স্বীকার করেছেন, ব্যাপক বিমান হামলার শিকার হওয়ার পরও ইরানের এখনো পাল্টা হামলা চালানোর ‘কিছু সক্ষমতা’ রয়েছে।
ধ্রুব/এস.আই