Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

পদ্মায় বাস ডু‌বি: পাশাপাশি শায়িত হলেন জাবি শিক্ষার্থী রাইয়ান, মা ও ভাগনে

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ,২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
পদ্মায় বাস ডু‌বি: পাশাপাশি শায়িত হলেন জাবি শিক্ষার্থী রাইয়ান, মা ও ভাগনে

এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ২৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বাস দুর্ঘটনায় নিহত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ান, তার মা ও ভাগনেকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার অভিযান সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজবাড়ী শহরের ভবানীপুরে জানাজা শেষে সেখাকার কবরস্থানে তিনজনকে শায়িত করা হয়।

বুধবার বিকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ২৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর গ্রামের লালমিয়া সড়কের মৃত ইসমাঈল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬১), ছেলে রাইয়ান (২৫) এবং রাইয়ানের ভাগনে রাজবাড়ী পৌরসভার সজ্জনকান্দার কে বি এম মুসাব্বিরের ছেলে তাজবিদ (৭) ছিল।

রাতেই তাদের মরদেহ ভবানীপুরের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

সকালে সেই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বা‌ড়ি ও চারপা‌শে শত শত মানুষ। কান্নার শ‌ব্দে চারপাশে এক শোকাবহ পরিবেশ। বা‌ড়ির সাম‌নে খা‌টিয়ায় দু‌টি মর‌দেহ রাখা হ‌য়ে‌ছে, আরেকটি ভেত‌রে। গ্রামের মানুষজন আসছেন পরিবারের লোকদের সান্ত্বনা দিতে। তাদের চোখেও ছিল জল।

রাইয়ানের স্বজন ফারুক হো‌সেন ব‌লেন, “রাইয়ান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। শুধু পড়াশোনায় নয়, তিনি ছিলেন একজন দক্ষ বিতার্কিক। স্কুল জীবন থেকেই জাতীয় পর্যায়ে বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়েও যুক্ত ছিলেন বিতর্কচর্চায়। যুক্তি, বুদ্ধি আর সচেতনতার আলো ছড়ানোই ছিল তার স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন থেমে গেল পদ্মার গভীরে। রাইয়ান শুধু একজন শিক্ষার্থী ছিলেন না, ছিলেন একজন সচেতন নাগরিক। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনসহ নানা সামাজিক উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি।”

সাদ আহ‌ম্মেদ সা‌দি ব‌লেন, ঈদের ছুটি কাটাতে বাড়ি এসেছিলেন রাইয়ান। পরিবারের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটিয়ে আবার ঢাকায় ফিরছিলেন। সঙ্গে মা রেহানা আক্তার, চিকিৎসক বোন নুসরাত জাহান খান এবং বোনের আট বছর বয়সী ছেলে তাজবিদ ছিল।

“বাসটি তলিয়ে যাওয়ার সময় সবাই বাসের ভিতরে ছিলেন। রাইয়ানের বোন কোনোরকমে বেরিয়ে আসতে পারেন। কিন্তু বাকি তিনজন ভেতরেই আটকা পড়েন। পরে রাতে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।”

সাদি জানান, ডিসেম্বরেই মারা যান রাইয়ানের বাবা। সেই শোক কাটতে না কাটতেই পরিবারে এমন নির্মম আঘাত এল।

ধ্রুব/এস.আই

 

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)