ক্রীড়া ডেস্ক
বাংলাদেশের বোলিং ছিল নিয়ন্ত্রিত ছবি:
ওপেনার মাজ সাদাকাতের ফিফটিতে উড়ন্ত সূচনা পায় পাকিস্তান। তবে এরপর হঠাৎ ছন্দ পতন হয় তাদের। তবে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগার ব্যাটে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। তবে শেষ দিকে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রত্যাশা অনুযায়ী সংগ্রহ পায়নি পাকিস্তান। সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান তুলে পাকিস্তান। সিরিজ নিশ্চিত করতে ২৭৫ রান প্রয়োজন বাংলাদেশের।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন পাকিস্তানের ওপেনার মাজ সাদাকাত।
অন্যদিকে তাকে ভালো সঙ্গ দেন আরেক ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। মাত্র ৩১ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নেন সাদাকাত। সেঞ্চুরির পথেই এগোচ্ছিলেন তিনি।
তবে দলীয় ১০৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তানকে। ৪৬ বলে ৭৫ রান করে মিরাজের বলে উইকেটের পেছনে লিটন দাসকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাদাকাত। এরপর দ্রুতই আরও দুই উইকেট হারায় পাকিস্তান।
শাহিবজাদা ফারহান ৪৬ বলে ৩১ রান করে তাসকিন আহমেদের বলে আউট হন। তার বিদায়ের পর পরই শামিল হুসাইন ২২ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর সালমান সালমান আগাকে সঙ্গে নিয়ে হাল ধরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।
দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৫০ বলে ফিফটি তুলে নেন সালমান। আর তাকে ভালো সঙ্গ দেন রিজওয়ান। ইনিংসের ৩৯তম ওভারে বোলিংয়ে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ওভারের চতুর্থ বলে রিজওয়ানের শট যায় বোলার মিরাজের দিকে। মিরাজ সেটি পা দিয়ে আটকান।
এ সময় অপর প্রান্তে থাকা ব্যাটার সালমান আগা ক্রিজের বাইরে ছিলেন। বলটি সালমান ও মিরাজ দুজনের পায়ের কাছেই ছিল। সালমান সেটি মিরাজের হাতে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে সালমান বল ধরার আগেই মিরাজ সেটি স্টাম্পে মারেন। থার্ড আম্পায়ার আউটের সিদ্ধান্ত দেয়।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাটিতে হেলমেট ছুঁড়ে মারেন সালমান। সাজঘরে যাওয়ার পথে রাগ প্রকাশ করতে থাকেন তিনি। এরপর ৪৪ রান আউট হন রিজওয়ান। শেষ ছয় ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
এছাড়া আব্দুল সামাদ ১১, হুসাইন তালাত ৯, শাহীন শাহ আফ্রিদি ৩, মোহাম্মদ ওয়াসিম ১ ও হারিস রউফ ২ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।